

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক এবং ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের। বিধাননগর থানায় বিজেপি কর্মী এই মামলা করেছেন। নির্বাচনের আগে উস্কানিমূলক মন্তব্য এবং ডিজে বাজানো সংক্রান্ত মন্তব্যের অভিযোগে অভিষেক ব্যানার্জীর বিরুদ্ধে বিধাননগর উত্তর সাইবার ক্রাইম থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, এই এফআইআর-এ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে করা মন্তব্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের
বিরুদ্ধে FIR। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় FIR রুজু করল পুলিশ। রাজীব সরকার নামে এক সমাজকর্মীরা অভিযোগের ভিত্তিতে FIR দায়ের করল রাজ্য পুলিশ। সম্ভবত, রাজ্য পুলিশের তরফে এটাই প্রথম অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে FIR।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দিন ৫ মে বাগুইআটির থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান রাজীব সরকার। নির্বাচন চলাকালীন একাধিক জায়গায় বক্তব্য উস্কানি দেওয়া, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে হুমকি দেওয়ার। এমন একাধিক জায়গায় অভিষেকের বক্তব্যের লিঙ্ক তুলে ধরে অভিযোগ জানান। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে, ৫ টি ধারায় FIR করলো পুলিশ।
এর মধ্যে তিনটি ভারতীয় সংহিতা আইনের ধারা রয়েছে। বিএনএস ১৯২, বিএনএস ১৯৬(জামিন অযোগ্য), বিএনএস ৩৫১/২(জামিন অযোগ্য) ধারা রয়েছে। এছাড়াও রিপ্রেজেটিয়ন অফ পাবলিক এক্ট এর দুটি ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।

ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯২ ধারা, জামিন যোগ্য, দাঙ্গার উদ্দেশে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ।
১৯৬ ধারা, জামিন অযোগ্য, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি নষ্ট করে ঘৃণা ছড়ানো।
৩৫১/২ ধারা, জামিন অযোগ্য, মৃত্যুর ভয় দেখানো, হুমকি দিয়ে মানুষের সম্মান ও সম্প্রীতি নষ্ট করা।
৩৫৩(১)(c) ধারা, জামিন যোগ্য। মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও গুজব ছড়ানো জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৩(২) ও ১২৫ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রচারে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিয়ে মানুষ ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে চাপ তৈরি করা।












