Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

কলকাতায় ইসকন মন্দিরে রথ যাত্রার সূচনায়, শান্তি জল ছেটালেন দিদি, নারকেল ফাটালেন নুসরত

deshersamay

Share article:

দেশের সময়, কলকাতা: ইসকনকে ৭০০ একর জমি দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেখানে হেলিপ্যাড সহ বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প তৈরি হবে। বৃহস্পতিবার কলকাতায় ইসকন মন্দিরে আরতির পর রথ যাত্রার সূচনা করে একথাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ৪৮ বছরে পড়ল ইসকনের রথযাত্রা। সেই উপলক্ষ্যে মন্দিরে পুজোর সময় উপস্থিত ছিলেন মমতা।

আরতি শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, মায়াপুরের ইসকন মন্দিরকে আগামী দিনে তীর্থকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী রাজ্য সরকার। সেই মতো মায়াপুর, নবদ্বীপকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এদিন রথযাত্রার সূচনার সময় মুখ্যমন্ত্রীর পাশে ছিলেন বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান জৈন, তাঁর স্বমী নিখিল জৈন, টলিউড অভিনেতা সোহম, মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার সহ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। এখান থেকে হুগলিতে মাহেশের রথযাত্রাতেও এদিন যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে এই প্রথমমবার মাহেশের রথ টানবেন তিনি।


আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ইসকন। গ্রহণ করেছিলেন নুসরত জাহান। বলে দিয়েছিলেন, স্বামী নিখিল জৈনকে নিয়ে যাবেন রথের অনুষ্ঠানে। বৃহস্পতিবার সেই অনুষ্ঠানে বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ শুধু গেলেনই না, করলেন আরতি। ফাটালেন নারকেল।

ইসকনের রীতি অনুযায়ী রথযাত্রা শুরুর আগে আরতি হয়। নারকেলের ডগায় আগুন জ্বালিয়ে দেবতার উদ্দেশে আরতি করেন সেবায়েত এবং অতিথিরা। সেখানেই দেখা গেল এক পাশে স্বামী নিখিল জৈন এবং আর এক পাশে অভিনেতা সোহমকে নিয়ে আরতি করলেন নুসরত। তারপর সবার টেকনিক দেখে নিয়ে নারকেলও ফাটালেন। এই পর্বের পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা যায় হাতে একটি ঘট নিয়ে তাতে আমপল্লব ডুবিয়ে শান্তির জল ছেটাচ্ছেন।

এ দিনও নুসরতের সাজ ছিল দেখার মতো। হাত ভর্তি চুড়ি। বিয়ের সময়ে পরা মেহেন্দি এখনও বেশ গাঢ়। সেই সঙ্গে গোলাপি পাড়ের হলদেটে সবুজ রঙের শাড়ি, গলায় মঙ্গল সূত্র এবং সিঁথি ভরা সিঁদুর।


অনুষ্ঠান শুরুর আগে বক্তৃতা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করেন, বহু বছর ধরে ইসকন নগরী তৈরির জন্য জমি জট চলছিল। রাজ্য সরকার সেই জট কাটিয়ে দিয়েছে। নবদ্বীপ এবং মায়াপুরকে ঢেলে সাজা হচ্ছে বলেও দাবি করেন মমতা। এ দিনের বক্তৃতা শেষেও জয় জগন্নাথ বলার পাশাপাশি জয় বাংলা ধ্বনি তোলেন মমতা।

ইসকনের রথের রশিতে টান দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী যাবেন হুগলির মাহেশে। এ বার ৬২৩ বছরে পড়ল মাহেশের রথ। পুরীর পর মাহেশই দেশের সবচেয়ে প্রাচীন রথ। আগে কখনও মমতা যাননি এই অনুষ্ঠানে। এ বারই প্রথম সেখানে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। হেলিকপ্টারে যাওয়ার কথা তাঁর।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন