Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

করোনা আতঙ্ক: দুই রাজ্যে ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা, ইট বৃষ্টি

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ করোনার সংক্রমণে মৃত্যু বাড়ছে দেশে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষের আতঙ্ক। চিকিৎসা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে জমা হচ্ছে অসন্তোষ। হায়দরাবাদ ও মধ্যপ্রদেশে উঠে এসেছে সেই অসন্তোষেরই ছবি। ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে উত্তেজিত জনতা, ভাঙচুরের চেষ্টা হয়েছে হাসপাতাল।

সূত্রের খবর, হায়দরাবাদের গান্ধী হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যুর পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। এক সপ্তাহ আগে ৪৯ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির শরীরে কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়ে। তাঁর চিকিৎসা চলছিল গান্ধী হাসপাতালে। আজ, বৃহস্পতিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ার পরে নানা রোগে জর্জরিত হয়ে উঠেছিলেন ওই রোগী। তাঁর শরীরের একাধিক অঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। চিকিৎসায় তেমনভাবে সাড়া দিতে পারছিলেন না। রোগীর মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই হাসপাতালে চড়াও হন তাঁর পরিবারের লোকজন।

গান্ধী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ডাক্তারদের মারধরের চেষ্টা করা হয়। হামলা চালানো হয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের উপরেও। নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন সকলেই। রাজ্য সরকারের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
একই ছবি দেখা গেছে মধ্যপ্রদেশেও। ইন্দোরের তাত পাত্তি বাখাল এলাকায় ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুড়তে দেখা গেছে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীকে। ইটের ঘায়ে গুরুতর জখম দুই মহিলা ডাক্তার। আহত বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী।

পুলিশ জানিয়েছে, তাত পাত্তি এলাকায় ৫৪টি পরিবারকে হোম-আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। আরও কয়েকটি পরিবারকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠাবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অসন্তোষ দানা বাঁধে এখান থেকেই। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসা করছেন ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীরা। স্ক্রিনিং করতে এসে তাঁদের হেনস্থা করা হচ্ছে, এমন দাবিও উঠেছে। আজ স্বাস্থ্যকর্মীরা এলাকায় পৌঁচলে তাদের দিকে ইট-পাথর ছুঁড়তে শুরু করে এলাকাবাসী। মারধরের চেষ্টা হয় ডাক্তারদের। ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্ধার করে পুলিশ।
মধ্যপ্রদেশ ও হায়দরাবাদের ঘটনায় রীতিমতো উদ্বেগে স্বাস্থ্য দফতর। তেলঙ্গানা পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বলেছেন, গান্ধী হাসপাতালের নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব আরও বেশি ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজে বহাল করা হবে। গত চব্বিশ ঘন্টায় দেশে নতুন ৪৩৭ জন মানুষের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। সরকারি হিসাবে এদিন পর্যন্ত গোটা দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৩৪। এর মধ্যে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে উঠেছেন বা হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ১৪১ জনকে। তেলঙ্গানায় এখনও অবধি করোনা আক্রান্ত ৯৬ জন, নতুন সংক্রামিত ১৭। মধ্যপ্রদেশে কোভিড-১৯ পজিটিভ ৬৬ জন, মৃত্যু হয়েছে তিনজনের।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন