

কলকাতা :সমস্যা যেন পিছু ছাড়ছে না অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী’র। একটি বিতর্ক মিটতে না মিটতেই যেন নতুন জটিলতা এসে হাজির হচ্ছে তাঁর জীবনে। বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে মঞ্চেই হেনস্থার অভিযোগ তোলেন তিনি। সেই ঘটনার জেরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মিমি। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারও করা হয় অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে ।

তবে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরই তনয় শাস্ত্রী পাল্টা সুর চড়ান। তিনি প্রকাশ্যে বলেন, মিমিকে ‘দেখে নেবেন’। এরপর অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে থানায় ডায়েরিও করেন তিনি। ঘটনাটা এখানেই থেমে থাকেনি। এবার বনগাঁ আদালতে মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন তনয়।

প্রথম মামলাটি মানহানির। তনয়ের অভিযোগ, অভিনেত্রী তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। জানা গিয়েছে, তনয়ের পক্ষে মামলা লড়ছেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।
দ্বিতীয় মামলাটি চুক্তিভঙ্গ সংক্রান্ত। তনয় শাস্ত্রীর দাবি, অনুষ্ঠানের জন্য মিমি ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়েছিলেন, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হননি। সেই অগ্রিম অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে মামলায়। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, তাঁকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনের উপরই ভরসা রাখছেন বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বনগাঁর ওই অনুষ্ঠানে মিমি চক্রবর্তীর রাত দশটায় পৌঁছনোর কথা ছিল বলে আয়োজকদের দাবি। কিন্তু তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি রাত এগারোটার পর অনুষ্ঠানে আসেন। তনয় শাস্ত্রীর দাবি, অনুষ্ঠান চালানোর জন্য তাঁর কাছে রাত বারোটা পর্যন্ত অনুমতি ছিল। সেই কারণেই সময় শেষ হয়ে আসায় তিনি রাত বারোটার সময় মিমিকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলেন।

তনয়ের কথায়, তিনি কোনও অসম্মানজনক মন্তব্য করেননি। কেবলমাত্র অনুমতির সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় অভিনেত্রীকে মঞ্চ ছাড়তে অনুরোধ করেছিলেন। এই ঘটনাকে ঘিরে সমাজমাধ্যমে বারবার উঠে এসেছে বনগাঁর নাম, এবং বিতর্কের রেশ এখনও কাটেনি।




