Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

উত্তরপ্রদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে স্পষ্ট জানাল যোগীর পুলিশ

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের উপদ্রুত এলাকায় প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু যোগী আদিত্যনাথ সরকারের পুলিশ স্পষ্ট জানিয়ে দিল, তৃণমূলের প্রতিনিধিদল উত্তরপ্রদেশে ঢুকলে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই তৃণমূল নেতা, সাংসদদের সেখানে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজি ওপি সিং সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন, “শুনেছি তৃণমূলের প্রতিনিধিদল উত্তরপ্রদেশে আসতে চাইছেন। কিন্তু এই মুহূর্তে গোটা রাজ্যেই ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। ওই দল এলে উত্তেজনা বাড়তে পারে। ন্তাই তাঁদের কোনও ভাবেই অনুমতি দেওয়া হবে না।” অনেকের ধারণা, এরপরও তৃণমূলের প্রতিনিধিদল লখনউ বিমানবন্দরে গেলে, তাঁদের সেখান থেকেই ফিরিয়ে দেবে যোগী রাজ্যের পুলিশ।

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে ধুন্ধুমার চলছে উত্তরপ্রদেশে। রবিবার দুপুর পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশে তৃণমূল প্রতিনিধিদল গেলে উত্তেজনা বাড়বে বইকি কমবে না বলেই সেখানকার প্রশাসনের ধারণা। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওপি সিং। যদিও এ নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে দেওয়ার কথা তৃণমূলের প্রবীণ নেতা তথা ব্যারাকপুর লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীর। তিনি ছাড়া প্রতিনিধি দলে থাকবেন তিন সাংসদ—প্রতিমা মণ্ডল, আবির বিশ্বাস ও নাদিমুল হক। তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, এই চার জন মানবিক মিশন নিয়ে উত্তরপ্রদেশে যাচ্ছেন। রবিবার তাঁদের লখনউ পৌঁছনোর কথা। উত্তরপ্রদেশে পুলিশের গুলিতে যাঁরা মারা গিয়েছেন বা আহত হয়েছেন তাঁদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা ছিল।

অতীতে এনআরসি নিয়ে অসমে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে শিলচরে পাঠিয়েছিলেন মমতা। তখনও অসম পুলিশ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে দেননি। তা নিয়ে কম ধুন্ধুমার হয়নি।

আবার তাৎপর্যপূর্ণ হল, বাংলায় যখন কৈলাস বিজয়বর্গীয় সহ বিজেপি নেতারা উপদ্রুত এলাকায় যেতে চাইছেন, তখন তাঁদের হয় তৃণমূল বা পুলিশ প্রশাসন বাধা দিচ্ছে। অনেকের মতে, যতটা না সহানুভূতি দেখানোর উদ্দেশে এই ধরনের প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়, তার তুলনায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য অনেক বড় হয়ে ওঠে। তাই কোনও শাসক দলই তাদের উপদ্রুত এলাকায় যেতে দেয় না। তা সে তৃণমূল হোক বা বিজেপি।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন