Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
বনগাঁ পুরসভার নাকের ডগায় বাটামোড়ে ভাগাড়ের মাংস ও বিশেষ গুঁড়ো মশলা মেশানো শাহী বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগ পেতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ, চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের: দেখুন ভিডিও জোড়া ভূমিকম্পের পরেও ২০ বার কেঁপেছে ভেনেজ়ুয়েলা, তছনছ রাজধানীর একাংশ, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা ভূমিকম্পের মতো ঝাঁকুনি, বিস্ফোরণের মতো শব্দ!’  প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াল বর্ণনা,  প্ল্যানেই গলদ ছিল’, তারাতলা কাণ্ডে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী! তারাতলা গোডাউন বিপর্যয়:এ পর্যন্ত উদ্ধার ১৩, নামল সেনা, ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কন্ট্রোল রুম খুলে হেল্পলাইন চালু নবান্নর ‘পুরোনো পদ্ধতিতে নয় আর কাজ নয়’, ব্রিকস সামিটে সতর্কবার্তা অজিত ডোভালের, বৈঠক চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে

উচ্চ মাধ্যমিকেও সবাই পাশ, ঘোষণা সংসদের

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ : মাধ্যমিকের মতো উচ্চ মাধ্যমিকেও প্রায় সকলকেই পাশ করিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ১০০ শতাংশ পাশের হার ঘোষণা করা হল।

সোমবার দুপুরে শিক্ষা সংসদের সভানেত্রী মহুয়া দাস সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি বলেন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মাননীয় রাজ্য সরকারের পরামর্শে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

মহুয়া দাসের বক্তব্য, এবারের পরীক্ষার রেজাল্ট ঘোষণার পরে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। বেশ কিছু এলাকায় বিক্ষোভ অসন্তোষের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই অসন্তোষের দায় নিতে চায়নি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। মহুয়া দেবী জানিয়েছেন, গত বছর স্কুলগুলিকে বলা হয়েছিল একাদশ শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল সংসদকে জানিয়ে দিতে। কিন্তু অনেক স্কুল তা জানায়নি। পরের বছর ১৮ থেকে ২৮ জুন এই দশ দিন স্কুলগুলিকে সময় দেওয়া হয়। তখনও দেখা যায় বেশ কিছু স্কুল সংসদে রিপোর্ট পাঠায়নি।

কিছু স্কুলের তথ্য অসম্পূর্ণ ছিল বলেও জানিয়েছেন মহুয়া। তার ফলেই ৯৭ শতাংশ পড়ুয়াকে পাশ করানো গিয়েছিল। ১৮ হাজার ২০০-র মতো পরীক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হয়েছিল। অর্থাৎ সংসদ নয়, স্কুলের ত্রুটিতেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তাদের ত্রুটি সংশোধনের সুযোগও দেওয়া হয়েছিল।


মহুয়া দাস জানান, স্কুলগুলিকে বলা হয়েছিল তারা যেন কোনও পড়ুয়াকে মূল্যায়নে অকৃতকার্য না করে। পাশ করার ন্যূনতম নম্বর যেন দেওয়া হয়। কিন্তু অনেক স্কুল তা করেনি। এমনকি কোনও কোনও স্কুল শূন্যও দিয়েছে। তাই এই জটিলতা।

মাননীয় সরকারের পরামর্শেই সকল পরীক্ষার্থীকে পাশ করিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা যেহেতু হয়নি, তাই কাউকে ফেল করানো উচিত হবে না।


তবে পুরোপুরি ১০০ শতাংশ পরীক্ষার্থীকে পাশ করানো যাচ্ছে না। কারণ এক্ষেত্রে কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা তৈরি হয়েছে। কিছু স্কুল থেকে পড়ুয়াদের নামই নথিভুক্ত করা হয়নি উচ্চ মাধ্যমকের জন্য। অর্থাৎ রেজিস্ট্রেশন করানো হয়নি। তাই তাদের পাশ করানো সম্ভব নয়।

Advertisement

সর্বশেষ খবর

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.