Desher Samay
প্রচ্ছদকলকাতাজেলাপশ্চিমবঙ্গউত্তরবঙ্গদেশবাংলাদেশআন্তর্জাতিকই-পেপারফটো গ্যালারিসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউব

‘আপনাদের ভালোবাসায়…’, জয়ের পরে বললেন তারেক , ‘বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত’, খালেদা-পুত্রকে বার্তা মোদীর

deshersamay

Share article:

১৭ বছর বাংলাদেশে পা রাখতে পারেননি। দেশে ফিরে সোজা প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে। তারেক রহমান যেন বাজিগর। বাংলাদেশের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ের পরে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় সংযত তিনি। বললেন, ‘আমি কৃতজ্ঞ।’

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে BNP। জামায়েতকে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে তাঁর দল। জয়ের খবর আসার পরেই নমাজ পড়তে যান তারেক। তার আগে সংক্ষিপ্ত বার্তায় তিনি বলেন, ‘আপনাদের ভালোবাসার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সবাই আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।’ বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ‘ঢাকা ট্রিবিউন’ সূত্রে এমনই জানা গিয়েছে।
জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তারেকের গুলশনের বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন কর্মী-সমর্থকরা।

কিছুক্ষণের মধ্যেই গাড়ি নিয়ে বের হন তিনি। তারেককে দেখেই উল্লাসে ফেটে পড়েন সবাই। হাততালি দিতে শুরু করেন অনেকে। তাঁদের দিকে হাসি মুখে হাত নাড়েন তারেক। দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ থাকার কথা জানিয়ে সোজা চলে যান বাংলাদেশের নৌবাহিনীর সদর দপ্তরে। সেখানকার মসজিদে নমাজ পড়েন তিনি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ৩০০টির মধ্যে ২৯৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ১৫১টি আসন। তারেকের নেতৃত্বে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জিতেছে BNP। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২১২টি আসন পেয়েছে তারেকের দল। ৭৭টি আসন গিয়েছে জামায়েতের ঝুলিতে। অন্য দলগুলি পেয়েছেন ৮টি আসন।

২০২৪-এর জুলাইয়ে শেখ হাসিনার পতন এবং মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের জমানায় দুই দেশের সম্পর্কে ছন্দপতন ঘটেছিল বলেই মনে করেন কূটনৈতিক বিশ্লেশকদের একাংশ। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তারেককে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।

BNP-র চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে এবং বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে শুক্রবার এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট শেয়ার করেন মোদী।

এক্স হ্যান্ডলের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচনে BNP-কে নেতৃত্ব দিয়ে জয়ের দিকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য আমি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আপনার প্রতি আস্থার প্রতিফলন। ভারত গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল বাংলাদেশের সমর্থনে পাশে থাকবে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে এবং উন্নয়নের জন্য আমাদের যে এক লক্ষ্য রয়েছে, তা পূরণ করতে আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ।’

https://x.com/i/status/2022151824242094312

প্রয়াত খালেদা জিয়া যে সময়ে অসুস্থ ছিলেন, তখন যাবতীয় সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। খালেদার প্রয়াণের পরে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঢাকায় গিয়েছিলেন শেষকৃত্যে অংশ নিতে। সেই সময়ে খালেদা-পুত্রের উদ্দেশে মোদী একটি চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে ‘বেগম সাহিবা’র সঙ্গে তাঁর এক দশক আগের সাক্ষাতের স্মৃতি লিখেছিলেন মোদী। দিল্লি এবং ঢাকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য খালেদা জিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করেছিলেন তিনি।

প্রচারের সময়ে তারেক রহমান কার্যত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, তাঁর জন্য দিল্লি বা রাওয়ালপিন্ডি নয়, প্রাধান্য পাবে বাংলাদেশ। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে ক্ষমতার কেন্দ্রে আসার পরে খালেদাপুত্র তারেক রহমানের বিদেশনীতি ঠিক কী হবে? এখন সব নজর সেই দিকেই।

Tags: News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Home Search Gallery
Menu
© 2026 Desher Samay.