প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
অনুপ্রবেশকারী ও অবৈধ নাগরিক চিহ্নিত করে দেশের বাইরে বের করে দেওয়া হবে, জনগণনার শুরুর দিনে বললেন খাদ্যমন্ত্রী ‘হিংসারিপু দমন করুন’,ইসকনের মিড-ডে মিল কর্মসূচির সূচনা করে বিরোধীদের হিংসা দমনের উপদেশ মুখ্যমন্ত্রীর এক সপ্তাহের মধ্যেই বনগাঁর যশোহর রোডের দু’পাশে ‘মৃত এবং বিপজ্জনক’গাছ কাটার কাজ শুরু হবে: জানালেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও দফায় দফায় বৃষ্টি চলছে কলকাতা- সহ দক্ষিণবঙ্গের একাংশে, জানুন আবহাওয়ার আপডেট বনগাঁয় শিরিস গাছের ডাল ভেঙে প্রাণ হারান যুবকের পরিবারকে  ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য খাদ্যমন্ত্রীর ,কথা দিলেন ৭ দিনের মধ্যে যশোর রোডের মৃত গাছের ডাল কাটার কাজ শুরু হবে:দেখুন ভিডিও

আজ সকাল ১০টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

deshersamay

Share article:

দেশের সময়: আজ মঙ্গলবার নববর্ষের দিন সকাল ১০ টায় জাতির উদ্দেশে বক্তৃতা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি ও আনুষঙ্গিক আরও কিছু ঘোষণা তিনি করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

লকডাউনের মেয়াদ যে আরও ১৬ দিনের জন্য বাড়ছে সে বিষয়ে কোনও রহস্য আর বাকি নেই। সর্বভারতীয় স্তরে ঘোষণা না হলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত শনিবারই জানিয়ে দিয়েছেন যে লকডাউন ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

সাউথ ব্লক সূত্রে বলা হচ্ছে, লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো ছাড়াও এদিন আরও কিছু তথ্য দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রী জানাতে পারেন। যেমন কিছু ক্ষেত্রে সরকার লকডাউনের শর্ত শিথিল করেছে। বিশেষ করে উৎপাদন ক্ষেত্রের অনেক কিছুকেই সরকার লকডাউনের আওতা থেকে ক্রমশ বাইরে রাখছে। তবে সে ক্ষেত্রে তাদের কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও নিতে বলেছে। যেমন, কর্মীদের পরিবহণের ব্যবস্থা কী করে করা হবে, কারখানা ও উৎপাদন পরিসর কতক্ষণ অন্তর স্যানিটাইজ করতে হবে ইত্যাদি।

করোনা নিয়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া দ্বিতীয় বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী হিসেব দিয়ে বলেছিলেন কী ভাবে করোনাভাইরাস ক্রমশ সংক্রমণের ব্যপ্তি বাড়ায়। মুখ্যমন্ত্রীদের ভিডিও কনফারেন্সেও মোদী জানিয়েছেন, আগামী দু’সপ্তাহ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। মনে করা হচ্ছে, ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কী ভাবে চলতে হবে সে ব্যাপারেই হয়তো দেশবাসীকে আরও একবার সতর্ক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

ইতিমধ্যেই সরকার করোনা সংক্রমণের সমস্ত তথ্য দেখে লাল, কমলা এবং সবুজ– এই তিন রঙের এলাকায় ভাগ করেছে। লাল এলাকার ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণ গুরুতর। কমলা এলাকার অর্থ সেখানে সংক্রমণ ছড়িয়েছে কিন্তু তা ব্যাপক নয়। আর সবুজ এলাকার মানে সেখানে করোনাভাইরাস এখনও থাবা বসাতে পারেনি। অর্থাৎ এই এলাকাগুলিতে কী কী খোলা থাকবে না থাকবে তা হয়তো নববর্ষের বক্তৃতায় স্পষ্ট করবেন প্রধানমন্ত্রী।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন