Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

অনুব্রতকে হুমকি: ‘জামিনে বেরোলেই কেষ্টর কলার ধরব’ বললেন তৃণমূল নেতা তথা গুসকরা পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ গুড়-বাতাসা, পাচন,চড়াম চড়াম জাতীয় শব্দ বলে যিনি কিনা বিরোধীদের হৃদযন্ত্র চমকে দেন সেই অনুব্রত মণ্ডলকেই কিনা হুমকির মুখে পড়তে হল! তাও আবার সেই হুমকি দিলেন তৃণমূলেরই এক নেতা।

বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ গ্রেফতার করল গুসকরা পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার দুপুরে গুসকরা শহরের স্কুলমোড় এলাকা থেকে নিত্যানন্দবাবুকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের গাড়ি থেকে নেমে থানায় ঢোকা পর্যন্ত নিত্যানন্দবাবু অনর্গল বলে গেলেন কেন তিনি অনুব্রতকে হুমকি দিয়েছেন। নিত্যানন্দর বক্তব্য, স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য অনুব্রতবাবু তাঁর কাছ থেকে ২০লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই টাকা ফেরত দিচ্ছেন না। তাই তিনি হুমকি দিয়েছেন।

নিত্যানন্দ এখানেই থামেননি। তিনি বলেন, “কেষ্ট মণ্ডল নিজেকে মুখ্যমন্ত্রীর থেকেও বড় ভাবে। হাটে মাগুর মাছ বেচত। এত কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি হল কোথা থেকে? কী করে কেষ্ট মণ্ডলের মেয়ে একসঙ্গে দু’জায়গায় চাকরি করে?”

যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে অনুব্রত বলেন, “নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের কাজই সবাইকে হুমকি দেওয়া। ওর কাছে লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র আছে। বিনা লাইসেন্সের আগ্নেয়াস্ত্র আছে বলে হুমকি দেখায়। যত সব পাগলামো।” পাশাপাশি টাকা ধার নেওয়ার প্রসঙ্গে অনুব্রতবাবু বলেন, ‘‘আমি ওর কাছে কোনও টাকাই নিইনি।’’

গুসকরার ইটাচাঁদার বাসিন্দা এক তৃণমূলকর্মী সেখ সুজাউদ্দিনের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে।
তবে গ্রেফতারের পরও যেন ভাবলেশহীন প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। হাতে মিনারেল ওয়াটারের বোতল নিয়ে বলে গেলেন, “বিপদের সময় টাকা ধার দিলাম। আর এখন বলছে প্রমাণ কই? আমি যেদিন জামিন পাব সেদিন গিয়ে কেষ্ট মণ্ডলের কলার ধরব।”

প্রসঙ্গত গত বছর অনুব্রত মণ্ডলের পত্নী বিয়োগ হয়। লোকসভা ভোটের সময়েও তাঁর স্ত্রী ভর্তি ছিলেন রাজারহাটের টাটা ক্যানসার হাসপাতালে। সেইসময় রোজ কলকাতা-বীরভূম দৌড়ঝাঁপ করতেন অনুব্রতবাবু। স্ত্রীর মৃত্যুর পর দৃশ্যতই ভেঙে পড়েছিলেন দোর্দণ্ডপ্রতাপ এই নেতা। শ্মশানঘাটে মন্ত্রী আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়কে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন।

সম্প্রতি সময়টা ভাল যাচ্ছে না অনুব্রতবাবুর। বিভিন্ন জায়গায় কর্মীদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে ‘বীরভূমের শেষ কথা’ বলা মানুষটিকে। এবার টাকা ধার নিয়ে শোধ না করার অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন