দেশের সময়ওয়েবডেস্কঃ কলকাতা কর্পোরেশন ভোটে ওয়ার্ড সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশ হয়েছে শুক্রবার। নতুন বছর পড়তে না পড়তেই একাধিক কর্পোরেশন ও রাজ্যের প্রায় একশোর বেশি পুরসভায় ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। আর সেই ভোটে মানুষ যদি অবাধে, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিতে পারেন, তাহলে বিজেপির অভূতপূর্ব ভাল ফল হবে বলে মন্তব্য করলেন মুকুল রায়।

পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে কিনা, বিজেপির লড়াইয়ের কৌশল কী হবে সে ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুকুলবাবু বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে কিনা তা রাজ্য সরকার ঠিক করবে। এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইবেন না কেন্দ্রীয় বাহিনী আসুক। কারণ ওঁর নিজের বাহিনী আছে। কিন্তু মানুষ লড়াই করেই বুথে পৌঁছবে।”

মুকুলবাবুর এই কথার প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, “তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনের পর মুকুলবাবু দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহকে আঙুল দিয়ে তিন দেখিয়ে এসেছিলেন। গণনার পর দেখেছেন গোল্লা পেয়েছে। পুরভোটেও ওরা হারবে জেনে গেছে। তাই আগে থেকে কাঁদুনি গেয়ে রাখলেন।”

পঞ্চায়েত ভোটের উদাহরণ টেনে একসময়ের তৃণমূলের দ্বিতীয় নেতা বলেন, “অত খুন, অত সন্ত্রাস করেও আটকানো যায়নি। পঞ্চায়েত ভোটে ৮ হাজারের বেশি আসনে জিতেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এবারও পারবে না।” নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি ইস্যুতে মমতার অবস্থানকেও তীব্র কটাক্ষ করেন মুকুল রায়। তাঁর কথায়, “উনি এখন রাস্তায় নেমে পড়েছেন। বুঝে গেছেন আর সরকার চালাতে পারবেন না। তাই রোজ বলছেন, সরকার ফেলে দেখাক। মমতা এখন শহিদ হয়ে সহানুভূতির ভোট চাইছে। কিন্তু আমরা তা হতে দেব না।”

জেএনইউ থেকে বিশ্বভারতী—শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা নিয়েও মুখ খোলেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “সারা দেশে অতি বাম প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি সক্রিয় হয়েছে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে এই শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here