Desher Samay
প্রচ্ছদকলকাতাজেলাপশ্চিমবঙ্গউত্তরবঙ্গদেশবাংলাদেশআন্তর্জাতিকই-পেপারফটো গ্যালারিসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউব

West Bengal Assembly Election Results Live: Counting and Updates Online: ECI : নন্দীগ্রামে ৯ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী, ভবানীপুরে এখনও পিছিয়ে ,বনগাঁ ,হাবরা ও অশোকনগরে এগিয়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থীরা

deshersamay

Share article:

West Bengal Assembly Election Results Live: Counting and Updates Online: পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি কেন্দ্রের ফল প্রকাশ হবে। একটি কেন্দ্রের (ফলতা) ভোট হবে আগামী ২১ মে। তামিলনাড়ু বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা হলো ২৩৪টি। কেরল বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা হলো ১৪০টি। পুদুচেরি বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা হলো ৩৩টি। অসম বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা হলো ১২৬টি।

আপডেট জানতে পাতাটি রিফ্রেশ করুন…

লাইভ আপডেট:

বনগাঁ মহকুমার চার কেন্দ্রের মধ্যে বাগদা কেন্দ্রে জয়ী হলেন সোমা ঠাকুর। বাকি বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ এবং গাইঘাটা কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি প্রার্থীরা। ১৯ তম রাউন্ড শেষে বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া ৩৫৬২৮ ভোটে, ১৬ রাউন্ড শেষে বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদার ৩২০৬৯ ভোটে এবং ১৬ রাউন্ড শেষে গাইঘাটা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুর ৩৭১৮৪ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে, ১৫ রাউন্ড শেষে হাবরা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দেবদাস মন্ডল তৃণমূল প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের থেকে ২০১৩১ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। অশোকনগর কেন্দ্রে ১৯ রাউন্ড শেষে তৃণমূলের নারায়ণ গোস্বামী কে পেছনে ফেলে ৪৩৬৮ ভোটে এগিয়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থী সুময় হীরা।

কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের গণনা কেন্দ্রে পৌঁছলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক ঘণ্টা কোনও ঘোষণা করা হয়নি বলে অভিযোগ তৃণমূল নেত্রীর।

আসানসোল দক্ষিণে ৪০ হাজার ৮৩৯ ভোটে জয়ী বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। তিনি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৮২টি ভোট পেয়েছেন তিনি। এ ছাড়া কালিম্পংয়ে জয়ী বিজেপির ভরত ছেত্রী।

ECI সূত্রে দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভবানীপুরে ব্যবধান কমালেন শুভেন্দু অধিকারী। ১২ রাউন্ডের শেষে ৭১৮৪ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ECI সূত্রে দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভবানীপুরে ব্যবধান কমালেন শুভেন্দু অধিকারী। ১২ রাউন্ডের শেষে ৭১৮৪ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রাথমিক ট্রেন্ডে বিজেপি ১৯৩ আসনে, তৃণমূল ৮২ ও ISF ২ আসনে এগিয়ে

ECI সূত্রে বেলা ১টা ৫৪ মিনিটে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ১৯৩ আসনে, তৃণমূল ৯৪ আসনে। এ ছাড়া হুমায়ুন কবীরের দল আমজনতা উন্নয়ন পার্টি ও AISF দু’টি আসনে এগিয়ে। অন্যদিকে, সিপিএম এবং কংগ্রেস একটি করে আসনে এগিয়ে। ভোট পার্সেন্টেজ়-এ এখনও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। ECI-এর দেওয়া হিসাব অনুযায়ী AITC পেয়েছে ৪১.১৯ ও বিজেপি পেয়েছে ৪৪.৯০ শতাংশ ভোট।

বনগাঁ মহকুমার চার কেন্দ্রে অর্থাৎ বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ এবং গাইঘাটা কেন্দ্রে এগিয়ে গেল বিজেপি। দশম রাউন্ড শেষে বাগদা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুর ২১০৪৩ ভোটে, সপ্তম রাউন্ড শেষে বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া ৮৩৩৩ ভোটে, ষষ্ঠ রাউন্ড শেষে বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদার ৭৫৫৫ ভোটে এবং সপ্তম রাউন্ড শেষে গাইঘাটা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুর ১৭৮৪০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

বনগাঁ মহকুমার চার কেন্দ্রে অর্থাৎ বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ এবং গাইঘাটা কেন্দ্রে এগিয়ে গেল বিজেপি। সপ্তম রাউন্ড শেষে বাগদা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুর ১৬৫২৫ ভোটে, চতুর্থ রাউন্ড শেষে বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া ২৭৩২ ভোটে, তৃতীয় রাউন্ড শেষে বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদার ৭৬৯ ভোটে এবং তৃতীয় রাউন্ড শেষে গাইঘাটা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুর ৬৪৩৯ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

ভবানীপুর কেন্দ্রে ফের এগিয়ে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই মুহূর্তে তৃতীয় রাউন্ডের শেষে শুভেন্দু অধিকারীর থেকে ৮৯৮ ভোটে এগিয়ে। 

তৃতীয় রাউন্ডের পর বাগদা বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় ৫৮৮৮ ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুর , বনগাঁ উত্তরে বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনিয়া ১৫৬৯ ভোটে এগিয়ে, বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য এগিয়ে

ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ড গণনার শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ১,৯৯৬ ভোটে। আপাতত মমতার প্রাপ্ত ভোট ৩,৬৬৬ এবং শুভেন্দুর প্রাপ্ত ভোট ১,৬৭০।

রঘুনাথগঞ্জে প্রথম রাউন্ডে ১,৪৩০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী। জঙ্গিপুরে প্রথম রাউন্ডে ১,৪০০ ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। অন্যদিকে, প্রথম রাউন্ড শেষে ওন্দা বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী অমরনাথ শাখা ২,৮৫০ ভোটে এগিয়ে।

প্রাথমিক ভাবে কমিশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ৩ আসনে এগিয়ে বিজেপি, ১ আসনে তৃণমূল

প্রথম রাউন্ড গণনার পরে প্রাথমিক ভাবে পিছিয়ে পড়লেন কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। ওই কেন্দ্রে প্রায় ১২০০ ভোটে এগিয়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থী।

প্রাথমিক ভাবে রাসবিহারি কেন্দ্রে পিছিয়ে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। ওই কেন্দ্রে প্রাথমিক ভাবে এগিয়ে স্বপন দাশগুপ্ত। জাঙ্গিপাড়া কেন্দ্রে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। বেলেঘাটাতেও এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী।

নির্ধারিত সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রে ইভিএম-এর ভোট গোনাও শুরু হয়ে গেল। পাশাপাশি পোস্টাল ব্যালটের গণনাও চলছে।

প্রাথমিক ভাবে ৬৯ আসনে এগিয়ে তৃণমূল, বিজেপি ৭৬ আসনে

পোস্টাল ব্যালট কাউন্টিংয়ের প্রাথমিক ট্রেন্ড অনুযায়ী, ৫৮ আসনে এই মুহূর্তে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস এনং ৭০ আসনে এগিয়ে বিজেপি। কংগ্রেস এখন দু’টি আসনে এগিয়ে।

উত্তর ২৪ পরগনায় প্রাথমিক ভাবে তৃণমূল ১২ ও বিজেপি ৮ আসনে এগিয়ে

জটিলতা কাটিয়ে শুরু হলো শিলিগুড়ি কেন্দ্রের গণনা
বেশ কিছুক্ষণ গণনা থমকে থাকার পরে, জটিলতা কাটিয়ে শুরু হলো শিলিগুড়ি কেন্দ্রে গণনা। পোস্টাল ব্যালটের পাঁচটি ট্রাঙ্কে তালা না থাকার অভিযোগ করেছিল তৃণমূল।

দক্ষিণ দিনাজপুরে প্রাথমিক ভাবে ৪ আসনে বিজেপি, ২ আসনে তৃণমূল এগিয়ে
দক্ষিণ দিনাজপুর পোস্টাল ব্যালটের প্রাথমিক ট্রেন্ড অনুযায়ী,
বালুরঘাট বিধানসভা – বিজেপি এগিয়ে
তপন বিধানসভা – বিজেপি এগিয়ে
গঙ্গারামপুর বিধানসভা – বিজেপি এগিয়ে
কুশমণ্ডি বিধানসভা – বিজেপি এগিয়ে
কুমারগঞ্জ বিধানসভা – তৃণমূল এগিয়ে
হরিরামপুর বিধানসভা – তৃণমূল এগিয়ে

শিলিগুড়িতে বন্ধ পোস্টাল ব্যালট গণনা

শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে সাময়িক গোলযোগ। পোস্টাল ব্যালটের গণনা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, ছ’টি ট্রাঙ্কের মধ্যে ৫টি ট্রাঙ্ক আগে থেকেই খোলা ছিল।

নদিয়ায় এগিয়ে বিজেপি

আপাতত নদিয়ার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফলের প্রাথমিক আভাস মিলেছে। সেই বিচারে তিন কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি। একটিতে তৃণমূল।

মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায় পোস্টাল ব্যালট

নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগরে পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে বিজেপি। শমসেরগঞ্জে এগিয়ে তৃণমূল।


সকাল ৮টায় শুরু ভোট গণনা
নিয়ম মেনে প্রথম ধাপেই গণনা হবে পোস্টাল ব্যালটের। এরপর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হবে ইভিএম গণনা।  যদি দেখা যায় ইভিএমের শেষ ক’টি রাউন্ড বাকি থাকতেও পোস্টাল ব্যালট গোনা শেষ হয়নি, তাহলে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে ইভিএম গণনা। পোস্টাল ব্যালট গণনা শেষ হলেই ফের চালু হবে ইভিএম। 

তৃণমূলের অভিযোগ
বনগাঁর স্বরূপনগরে গণনাকেন্দ্রে প্রার্থী এবং এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ করেছে তৃণমূল।


সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের সামনে
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গোনা হবে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে। সেখানে ভোর থেকে নিরাপত্তার কড়াকড়ি। রাস্তায় ব্যারিকেড করা হয়েছে। রয়েছে প্রচুর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাখাওয়াতের সামনে এজেসি বোস রোড ক্রসিং থেকে রাস্তায় ব্যারিকেড করা আছে। সেখানেই রয়েছেন কলকাতার অ্যাডিশনাল সিপি ডিপি সিংহ।

 

বাংলায় শুরু কাউন্টডাউন। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে থাকবে পশ্চিমবঙ্গ, পরিষ্কার হয়ে যাবে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মুখোমুখি লড়াইয়ে তৃণমূল এবং বিজেপি। তৃণমূলের কাছে এই লড়াই গদি টিকিয়ে রাখার, অন্য দিকে বিজেপি-র চ্যালেঞ্জ তৃণমূলকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করা। শেষ পর্যন্ত কে বিজয়ী হয়, তা আর কিছু ক্ষণের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন আরও একটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ, ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন বা SIR-এর পর এই প্রথম রাজ্যে নির্বাচন হচ্ছে, তাও বিধানসভা নির্বাচন, যেখানে মসনদের নাগাল পেতে মরিয়া সব পক্ষই। সবমিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জনের নাম বাদ পড়ে। এখনও লক্ষ লক্ষ মানুষ ‘বিচারাধীন’ রয়েছেন, যাঁদের বাদ দিয়েই এবারের নির্বাচন হল।

আর এই SIR-এর দরুণই এবারের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকে আঁচ করতে গিয়ে সমস্যা পড়ে রাজনৈতিক দলগুলিও। কারণ লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়লেও, এবারে ভোটদানের হার আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। SIR আতঙ্ক থেকেই মানুষ ভোট দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন, নাকি প্রতিষ্ঠান বিরোধিতায় স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া মিলেছে, তা নিয়ে ধন্দ রয়ে গিয়েছে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।

সেই নিয়ে দলের অন্দরে কাটাছেঁড়া চললেও, প্রকাশ্যে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী দুই প্রধান দলই। তৃণমূলের দাবি, ২০০-র বেশি আসন নিয়ে ফের ক্ষমতায় ফরতে চলেছে তারা। দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার চোরাস্রোত অলিগলিতে বইলেও, SIR-এর বিরোধিতায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির জন্য় রাজ্যবাসী একজোট হয়ে বিজেপি-কে প্রত্যাখ্য়ান করবে বলে আশাবাদী জোড়াফুল শিবির।

অন্য দিকে, বিজেপি মনে করছে, শিক্ষা দুর্নীতি, আর জি করের ঘটনা এবং তাদের তুলে ধরা অনুপ্রবেশ ইস্যুই কোণঠাসা করে দিয়েছে তৃণমূলকে। যদিও SIR-এর শুরুতে, এমনকি প্রচারপর্বে ‘রোহিঙ্গা’, ‘বাংলাদেশি’ অনুপ্রবেশের কথা গেরুয়া নেতৃত্বের মুখে মুখে ঘুরলেও, এখন আর তা শোনা যাচ্ছে না। বরং তৃণমূল বিরোধিতাকেই এগিয়ে রাখছেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, শুভেন্দু অধিকারীরা।

এই নির্বাচনে বেনজির ভাবে গোড়া থেকে প্রশ্নের মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশনও। ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’র নামে বৈধ নাগরিকদের নাম ভোটার তালিকা থেকে কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এমনকি ভোটপর্বে বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন যেভাবে বাতিল করে পুনরায় ভোট করানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, ২৯৪টি আসনের মধ্যে একটিকে বাদ রেখে বাকি আসনের ফলঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাও বেনজির। ফলে একসঙ্গে পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন হলেও, এই মুহূর্তে অধিকাংশের নজর পশ্চিমবঙ্গের ফলাফলের দিকে।

Election Commission on Counting: ‘শান্তিপূর্ণ গণনা’ করতে কী কী ব্যবস্থা?

গণনা শুরু হওয়ার আগের সন্ধ্যায় একাধিক নির্দেশ দিলেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। দিলেন একাধিক তথ্য। দেখে নিন একনজরে-
২৯৩টি কেন্দ্রের গণনা হবে সোমবার। জেলার হেড কোয়ার্টার ৪২টি, সাবডিভিশনে ৩৫টি, গণনা কেন্দ্র ৭৭ টি, সিঙ্গল কাউন্টিং হল ১২৯টি, ডাবল কাউন্টিং হল ১৬৩টি।
মোট পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ৫৩৩। প্রতি হলে একজন করে কাউন্টিং সুপারভাইজার থাকবেন।

ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা থাকবে গণনাকেন্দ্রে। থাকবে রাজ্য পুলিশ, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মতো শান্তিপূর্ণ গণনাও হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন মনোজ আগরওয়াল।
ECI NET অ্যাপ থেকে জানা যাবে ফলাফল।
সিইও বলেন, বিজয় মিছিল সোমবার না করে অন্য দিন করলে ভালো হবে। তবে DEO-রা রিপোর্ট দিলে সেটা স্পষ্ট হবে।

Tags: LiveNews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.