বনগাঁ পুরসভায় অচলাবস্থা, আস্থা বৈঠকের ডাক গোপাল শেঠ বিরোধীদের

0
118

বনগাঁ পুরসভার পুরপ্রধান গোপাল শেঠের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে জটিলতা কাটাতে এ বার আস্থা বৈঠকের ডাক দিলেন তিন কাউন্সিলার।

বনগাঁর পুরপ্রধান গোপাল শেঠের বিরোধী হিসেবে পরিচিত তিন কাউন্সিলার কৃষ্ণা রায়, নারায়ণ ঘোষ এবং জোৎস্না আঢ্য আগামী ১০ ডিসেম্বর বনগাঁর রূপসী বাংলা প্রেক্ষাগৃহে আস্থা বৈঠক ডেকেছেন। সেই সংক্রান্ত নোটিস ইতিমধ্যে সমস্ত কাউন্সিলারদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষ্ণা।

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ওই দিনই পুরপ্রধানের পদ থেকে গোপালের বিদায়ের সম্ভাবনা প্রবল। যদিও তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট দিনে কতজন কাউন্সিলার উপস্থিত থেকে গোপাল শেঠের বিপক্ষে মত দেন তার উপরেই।

গত ৬ নভেম্বর দলের নির্দেশে বনগাঁর পুরপ্রধান পদে গোপাল শেঠকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল। ১৫ তারিখ পর্যন্ত সময়সীমা দেওয়া হয় তাঁকে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেও তিনি পদত্যাগ না করায় ৯ জন কাউন্সিলার তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৯ নভেম্বর অনাস্থা আনেন। ২২ নভেম্বর তাঁর হাতে অনাস্থার সেই নোটিসও পৌঁছে দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে পুরপ্রধানের আস্থা বৈঠক ডাকার কথা। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পুরপ্রধান আস্থা সভা ডাকেননি বলে অভিযোগ।

পুরপ্রধান বৈঠক না ডাকলে দায়িত্ব পড়ে উপ পুরপ্রধানের উপর। এই আবহে উপ পুরপ্রধানকে পদ থেকে বরখাস্ত করায় সেই উদ্যোগ নিলেন তিন কাউন্সিলার।

কিন্তু সে দিনের বৈঠকে গোপালপন্থীরা আদৌ হাজির থাকেন কিনা, থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাঁদের দিকে যাবে, নাকি দলীয় নির্দেশে পরবর্তী কেউ পুরপ্রধানের দায়িত্ব নেবেন সে দিকে তাকিয়ে রয়েছেন বনগাঁবাসী। কারণ শাসক দলের আভ্যন্তরীণ এই ডামাডোলে পুর পরিষেবা থেকে তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে গোপাল শেঠের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

বিজেপি কাউন্সিলার দেবদাস মণ্ডল বলেন, ‘বনগাঁ পুরসভায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তিন কাউন্সিলার আস্থা বৈঠক ডেকেছেন, আমাকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে। দলের সঙ্গে আলোচনা করে বৈঠকে যোগ দেব কি না সিদ্ধান্ত নেব।’

Previous articleগীতাপাঠ শুনতে ব্রিগেডের পিছনে মাটিতে গিয়ে বসলেন শুভেন্দু , অনুষ্ঠানে গিয়ে মমতার তুলোধনা করলেন সুকান্ত
Next articleডিসেম্বরের শহরে – গ্রামে শীতের আমেজ,  চলতি সপ্তাহেই রেকর্ড ঠান্ডা বাংলায়? আবহাওয়ার লেটেস্ট আপডেট জানুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here