Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Uttarakhand Bus Accident প্রায় চল্লিশ জন যাত্রী সমেত উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ি খাদে উল্টে গেল বাস, অধিকাংশ আরোহীরই মৃত্যুর আশঙ্কা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ উত্তরাখণ্ডের আলমোড়া জেলার রামনগরে খাদে এক যাত্রীবাহী বাস উল্টে পড়ে অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজ শুরু করেছেন স্থানীয় লোকজন ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসটিতে অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হয়েছিল। যাত্রীদের মধ্যে অসংখ্য শিশুও রয়েছে।

পুলিশ ও প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, বাসটি গাড়োয়াল থেকে কুমায়ুন যাচ্ছিল। আলমোড়ার মারচুলার কাছে দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটিতে অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বলে অনুমান। কাকভোরে একটি বাঁকের মুখে দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় বাসটি ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে উল্টে যায়। আলমোড়ার জেলাশাসক অলোককুমার পান্ডে বলেন, বাসটি ২০০ মিটার খাদে গড়িয়ে পড়েছে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, নৈনিতাল জেলার অন্তর্গত রামনগরে সোমবার সকালে বাসটি খাদে পড়ে যায়। তারা ঘটনাস্থল থেকে যে ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, পাহাড়ি খরস্রোতা নদীর ধারে একটি বাস উল্টে পড়ে রয়েছে। বাসের অধিকাংশ তুবড়ে গিয়েছে। স্থানীয় বহু মানুষ বাস থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছেন।

ওই অংশে নদী গভীর না হওয়ায় অনেকে নদী পেরিয়ে বাসের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের তরফেও উদ্ধারকাজের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে উত্তরাখণ্ডের রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সঙ্গে রয়েছে পুলিশও।

মৃতের সংখ্যা সম্বন্ধে একাধিক সংবাদমাধ্যমে একাধিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। কেউ ১৫, কেউ ২০, কেউ ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানাচ্ছে। সাত জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে পিটিআই।

দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী ছিলেন বলে কেউ কেউ অভিযোগ করছেন। মহকুমাশাসক সঞ্জয় কুমার জানিয়েছেন, পাঁচ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ভিতরে অনেকেই এখনও আটকে রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। প্রশাসনের কাছে দুর্ঘটনাটির খবর যায় সকাল ৯টা নাগাদ। বাসে যে যাত্রীরা ছিলেন, তাঁরাই কোনও রকমে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর আগে উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয়েরাই।

মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি দুর্ঘটনার পরপরই জেলা প্রশাসনকে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দেন। যে জখমরা আটকে রয়েছেন, তাঁদের হেলিকপ্টারে করে তুলে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। এক এক্সবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী ধামি লিখেছেন, দুর্ঘটনার খবরে খুবই শোকাহত হয়ে পড়েছি। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী দ্রুত উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে। 

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন