Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

‘তৃণমূল জামানা ভুলতে পারছেন না?’ নার্সের রহস্যমৃত্যু তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ,  পুলিশকে খাদ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

deshersamay

Share article:

NRS হাসপাতালের এক নার্সের রহস্যজনক মৃত্যু। পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে রাজ্যের মন্ত্রী তথা বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার দ্বারস্থ নার্সের পরিবারের সদস্যরা। অসহায় মা-বাবার সামনে পুলিশ আধিকারিকদের ফোন করে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন মন্ত্রী।

গত ২৩ জুন NRS হাসপাতালের নার্স শুভ্রা সাহার দেহ উদ্ধার হয় হিঙ্গলগঞ্জের একটি জলাশয়ে। একই সঙ্গে শুভ্রার শিশুকন্যার দেহ উদ্ধার হয়। শুভ্রার শ্বশুরবাড়ি হিঙ্গলগঞ্জে। শুভ্রার মা, বাবার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শ্বশুরবাড়িতে অত্যাচারিত হতেন শুভ্রা। নানা ভাবে তাঁকে হেনস্থা, মারধর করা হতো।

বেশিরভাগ সময়ে বাপের বাড়ি বনগাঁতেই থাকতেন শুভ্রা। গত ১৩ জুন শুভ্রার শ্বশুরের মৃত্যু হয়। তাঁর শেষকৃত্যের জন্যেই মেয়েকে নিয়ে হিঙ্গলগঞ্জে গিয়েছিলেন তিনি। শুভ্রার বোন চন্দ্রা সাহা বলেন, ‘দিদি সুস্থ, স্বাভাবিক অবস্থায় তাঁর শ্বশুরের শ্রাদ্ধের জন্য গিয়েছিল। আমাদের জানানো হয়েছে, দিদি নাকি মানিসক অবসাদগ্রস্ত ছিল। নিজের মেয়েকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে।’ এই ঘটনায় হিঙ্গলগঞ্জ থানা জোর করে শুভ্রা-র পরিবারের থেকে আত্মহত্যার বিষয়ে রিপোর্ট লিখিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ।

পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ তুলে এ দিন মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়ার দ্বারস্থ হন শুভ্রার বাপেরবাড়ির সদস্যরা। তাঁদের সামনেই এই কেসের আইও, হিঙ্গলগঞ্জ থানার আইসি এবং এসপি বসিরহাট তিনজনকেই ফোন করেন। মন্ত্রীকে ফোনে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে হিঙ্গলগঞ্জ থানায় আসতে হলে ভালো হবে না। তাই থানায় যেন যেতে না হয়। তৃণমূলে জামানা এখনও কি ভুলতে পারছে না পুলিশ?’ এ দিন মৃত নার্সের পরিবারের সঙ্গে ছিলেন NRS হাসপাতালের সহকর্মীরাও।

পুলিশের সঙ্গে কথা বলে ওই পরিবারকে সাহায্য করা এবং এই ঘটনায় নতুন করে এফআইআর দায়ের করে নতুন করে তদন্ত করার কথা জানান মন্ত্রী। মৃতার পরিবারের সদস্যরা মন্ত্রীর আশ্বাসে কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.