Desher Samay
প্রচ্ছদকলকাতাজেলাপশ্চিমবঙ্গউত্তরবঙ্গদেশবাংলাদেশআন্তর্জাতিকই-পেপারফটো গ্যালারিসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউব

Sports বারাসাত বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে ফের কী চালু হবে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট ?খোঁজ নিল দেশের সময়: দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:

সুব্রত বক্সী ,,বারাসাত , উত্তর২৪ পরগনা : ২o২৪ সালে ৮২ লক্ষ টাকায় রাজ্য ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে সেজে উঠেছিল বারাসাত বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গন। শুরু হয়েছিল ঘাস লাগানোর কাজ। বাম আমলে তৈরি হওয়া এই স্টেডিয়ামটিতে এক সময় হত আই লিগ এবং কলকাতা লিগের মতো বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট। অভিযোগ ,বর্তমানে বেহাল দশা হওয়ায় খেলা প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছে এই স্টেডিয়ামটিতে।

বাম জমানায় উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সদর বারাসতে তৈরি হয়েছিল বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গন। স্টেডিয়ামটি জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে ছিল। পরবর্তীতে অবশ্য বারাসত স্টেডিয়াম আইএফএকে হস্তান্তর করা হয়। এক সময়ে বারাসত স্টেডিয়ামে আই লিগ এবং কলকাতা লিগের মতো বড় বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট হতো। বসানো হয়েছিল কৃত্রিম ঘাস বা অ্যাস্টোটার্ফ। কিন্তু কৃত্রিম ঘাস বসানোর কাজে কিছু ত্রুটি থাকায় খেলতে অনিহা প্রকাশ করেছিলেন খেলোয়াড়রা। চোটও পান অনেকে। এরপর খেলাই বন্ধ হয়ে যায়। খেলা না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে বারাসত স্টেডিয়াম এমনটাই জানিয়েছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা ।

ফের কী চালু হবে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট ?খোঁজ নিল দেশের সময় -এর প্রতিনিধি সুব্রত বক্সী: দেখুন ভিডিও

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,২০২৩ সালের ১৮মে বারাসতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গন পরিদর্শনে আসেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী বলেছিলেন, ‘পুরোপুরি তুলে ফেলা হবে অ্যাস্টোটার্ফ। প্রাকৃতিক ঘাস দিয়ে মাঠটিকে খেলার উপযোগী করে তোলা হবে।’ পাশাপাশি স্টেডিয়ামকে খেলার উপযোগী করার জন্য নতুন কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী।

জেলা পরিষদ ও রাজ্য ক্রীড়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে ,প্রথমে কৃত্রিম ঘাস তুলে ফেলা হয়। তারপর মাটি তৈরি করে তাতে স্বাভাবিক ঘাস লাগানো হয়। ঘাস বসাতে খরচ হয় ৮২ লক্ষ টাকা। 

‘বারাসত স্টেডিয়ামকে খেলার উপযোগী করার জন্য কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কৃত্রিম ঘাস তুলে প্রাকৃতিক ঘাসের মাঠ করা হবে। এ বিষয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। দ্রুত কাজ শেষ করা হয় বারাসত স্টেডিয়ামে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট হব। ভালো খেলা দেখার সুযোগ পাবেন ক্রীড়াপ্রেমীরা।’

Tags: News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.