Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

SIRশুনানিতে শশী পাঁজাকে তলব, ডাক পেলেন দেবাংশুও

deshersamay

Share article:

রাজ্যে শুরু হওয়া এসআইআর  প্রক্রিয়ায় এবার শুনানির নোটিস পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা  এবং শাসক দলের যুবনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। দেবাংশু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বিষয়টি সকলকে জানান। এদিকে, নোটিসে রবিবার দুপুর ২টোয় শশী পাঁজাকে উত্তর কলকাতার কেশব অ্যাকাডেমিতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শশী পাঁজার দাবি, তাঁর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল এবং এনুমারেশন ফর্মে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য তিনি দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাক পাওয়ায় বিরক্ত। তাঁর কথায়, এটি কোনও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি  নয়, বরং অ্যাপের গলদে  ২০০২ সালের তালিকায় তাঁর নাম দেখাচ্ছে না। বলেন, “আমি অবাক। আমার যখন ডাক পড়েছে, সাধারণ মানুষের তো… এটা হাস্যকর।” তবে তিনি আরও জানান, অন্য পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতোই তিনি হাজিরা দেবেন।

এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের  আইটি সেলের নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। এনিয়ে বেশি কিছু জানা যায়নি। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি উত্তর দেননি।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে অক্টোবর থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া, যার মূল উদ্দেশ্য ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করা। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ ও জমা দেওয়ার পর বর্তমানে চলছে শুনানি পর্ব। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, ম্যাপিং সমস্যা -সহ একাধিক কারণে বহু ভোটারকে তলব করা হচ্ছে শুনানিতে। ইতিমধ্যেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন , কবি জয় গোস্বামী , অভিনেতা সাংসদ দেব -সহ বহু পরিচিত মানুষ এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার নাম।

শশী পাঁজার বক্তব্য, কমিশন হুড়োহুড়ি করে কাজ করাতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিএলও  ও সফটওয়্যার ব্যবস্থায় গলদ দেখা দিয়েছে। ফলে ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও অ্যাপে তা প্রতিফলিত হচ্ছে না। তাঁর দাবি, কমিশন হয়তো আলাদাভাবে বিষয়টি ঠিক করার চেষ্টা করছে, কিন্তু তিনি সাধারণ নাগরিকের মতোই শুনানিতে হাজিরা দেবেন।

কয়েকদিন আগেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় নোটিস পেয়েছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ তথা ভারতরত্ন অমর্ত্য সেন। বিদেশে থাকায় ৯২ বছর বয়সি প্রবীণ অধ্যাপক সশরীরে হাজির থাকতে পারেননি, তবে তাঁর বাসভবনে শুনানি হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ভাই। এই প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বস্টন থেকে সংবাদসংস্থা পিটিআই -কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, তাতে ‘অযথা তাড়াহুড়ো’ করা হচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধন সতর্ক ও পর্যাপ্ত সময় নিয়ে করা উচিত, নইলে তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকেই সমস্যায় ফেলতে পারে। মানুষকে নিজেকে ভোটার প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট সময় না দিলে তা ভোটারদের প্রতি অন্যায় এবং ভারতীয় গণতন্ত্রের প্রতিও তা হতে পারে ক্ষতিকর।’

উল্লেখ্য, এসআইআর নিয়ে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছেন যে প্রক্রিয়াটি তাড়াহুড়ো করে করা হচ্ছে। এনিয়ে প্রতিবাদ স্বরূপ গানও বেঁধেছিলেন দেবাংশু। শেষে তাঁরই নাম এল শুনানিতে।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন