Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Prosenjit Chatterjee: বাংলার অভিনেতার মুকুটে সেরা পালক!  পদ্মশ্রী সম্মান পেলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

deshersamay

Share article:
হীয়া রায়, দেশের সময়

পদ্মশ্রী সম্মান পেলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়। রবিবার সন্ধ্য়ায় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই তালিকায় পদ্মশ্রী ক্যাটাগরিতে রয়েছেন বাংলার অভিনেতা। এই সরস্বতীপুজোর আগের দিন মুক্তি পেয়েছে অভিনেতার নতুন ছবি — ‘বিজয়নগরের হীরে’। চার বছর পরে বড়পর্দায় ফিরলেন ‘কাকাবাবু’। তবে শুধুই এই একটা নয়, বাংলা সিনেমার প্রতি তাঁর অবদান অপরিসীম। সেই অবদানকে মাথায় রেখেই প্রসেনজিতের নাম পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় জুড়ে দিল কেন্দ্র।

নিজের জীবনে প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন ১৯৬৮ সালে। তখন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায় ছিলেন শিশু শিল্পী। বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্য়ায় পরিচালিত ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসাতে’ তাঁর প্রথম কাজ করা। নায়ক হিসাবে প্রথম আত্মপ্রকাশ ১৯৮৩ সালে, দু’টি পাতা ছবিতে। এরপর থেকেই ছুটছে ক্যারিয়ার। প্রসেনজিতের ঝুলিতে ঢুকেছে একের পর এক সিনেমা, দেশজুড়ে মিলেছে খ্য়াতি। বাংলা সিনেমার বাইরেও ছড়িয়েছে তাঁর পরিধি।

শুধুই ভাল অভিনেতা বা ভাল সিনেমা নয়, বাংলা সিনেমায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের অবদানকে আরও নানা ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন সিনেপ্রেমীরা। একাংশের মতে, শহরবাসীর মনে যখন জায়গা পেয়েছিল বিকল্প ধারার সিনেমা-চর্চা।

সেই সময় গ্রাম বাংলার হাতে কমার্সিয়াল সিনেমার ঝুলি তুলে দিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়। একের পর এক সুপারহিট সিনেমা দিয়েছেন তিনি। নিজের গোটা কেরিয়ারে অভিনয় করেছেন সাড়ে তিনশোর অধিক সিনেমায়। কখনও থেকেছেন মূলস্রোতে, কখনও বেরিয়েছেন সেই ধারা থেকে।

এখন অনেকের মুখেই শোনা যায়, ‘বাংলা সিনেমার পাশে দাঁড়ান’। ওয়েবসিরিজ, হিন্দি ওটিটি এবং বিকল্প ধারার সিনেমার দৌড়ে দর্শক টানতে পারছে না বাংলা সিনেমা, এমনটাই মত অনেকের।

সদ্য প্রকাশিত ‘বিজয়নগরের হীরে’ সেই কথা বলে না শহর কলকাতা তো বটেই বলিউডের সিনেমা- ঘর গুলিতেও বিরাট ব্যবসা টানছেন কাকাবাবু।

এদিন পদ্মশ্রী সম্মান ঘোষণার আগেই একটি নিউজ চ্যানেলর  মুখোমুখী হয়েছিলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়। বাংলা সিনেমার ভবিষ্যৎ সঙ্কটের মুখে নেই বলেই মত তাঁর। অভিনেতার কথায়, ‘সারা ভারতবর্ষের সিনেমা আমার গোনা থাকে।

সেই নিরিখে বলা যেতে পারে, বাংলা সিনেমা হলে গিয়ে দেখার পরিমাণ পরিসংখ্যানগত ভাবে বেড়েছে।
বিরাট ভাল জায়গা রয়েছি বলব না কিন্তু অন্যদের থেকে ভাল জায়গায় রয়েছি।’

সেই আশির দশক থেকে আজ পর্যন্ত— টলিউডের নায়ক প্রসেনজিৎ। পুরোদস্তুর বাণিজ্যিক ছবি হোক বা বিকল্প ধারা বাংলা ছবিতে তিনি যেন এক মাইল ফলক। ছোট্ট জিজ্ঞাসাতে শিশু শিল্পী হিসাবে অভিনয় জীবন শুরু। নায়ক হিসাবে প্রথম অভিনয় দুটি পাতা। ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘দোসর’ ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। চোখের বালি, উনিশে এপ্রিল, শেষ পাতা কিংবা বাইশে শ্রাবণ, জাতিস্মর-অটোগ্রাফের মতো বিকল্প ধারার ছবিতে নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছেন তিনি। তারই যোগ্য স্বীকৃতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। ‘শঙ্খচিল’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার পান তিনি।প্রসঙ্গত প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্র-কে দেওয়া হয়েছে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মান।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন