Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
তৃণমূলের ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল ED! ১৯ টি অ্যাকাউন্টে নজর, বিমান-হেলিকপ্টার কেনা নিয়ে বড় দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার গাড়ির রশিদ ও ভিকেলস নম্বরের দাবিতে প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যর বাড়ির সামনে বিক্ষোভে টোটোচালকেরা : দেখুন ভিডিও ৫০ হাজার সাফাই কর্মীর হাতে ‘স্বচ্ছ কবচ’, বিশেষ কর্মসূচির সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী বারুইপুর এনকাউন্টার: ‘ও যা করেছে, মৃত্যু হয়ে গিয়েছে, আমার শান্তি’, জানালেন প্রভাসের মা, মেয়ের দোষীর মৃত্যু সংবাদে খুুশি নির্যাতিতার বাবা বারুইপুর গিয়ে পুলিশকে ৭২ ঘণ্টার ডেডলাইন মুখ্যমন্ত্রীর ,‘গণপিটুনিতে মৃত যুবক নির্দোষ, উস্কানিদাতাদের রেয়াত নয়’: শুভেন্দু অধিকারী

প্রকাশ্যে বনগাঁর তৃণমূল নেতার কীর্তি, বেআইনি ফেন্সিং গুঁড়িয়ে দিল জনতা ‌: দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:

দেশের সময় , বনগাঁ : বনগাঁর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি  খেলার মাঠের পাশে ফেন্সিং দিয়ে ঘিরে দিয়েছিল বনগাঁ পৌরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান  শঙ্কর আঢ্য  । এর ফলে স্থানীয়দের ওই এলাকা দিয়ে চলাফেরায় সমস্যা হচ্ছিল ৷  পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য -র সময়কালে অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় কয়েকটি পরিবারকে ভয় দেখিয়ে জোর করে এই ফেন্সিং দেওয়া হয়েছিল ৷ সরকার বদল হতেই এবার সেই ফেন্সিং গুঁড়িয়ে দিলো স্থানীয় বাসিন্দারা । শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মতিগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব মাঠ এলাকায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শংকর আঢ্য বনগাঁ পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন মতিগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবের সম্পাদক ছিলেন ৷ স্থানীয়দের কথা তিনি না শুনে জোর করেই এই ফেন্সিং দেওয়ার কাজ করেছিলেন ৷ এর ফলে ওই এলাকায় কোনো অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে পারত না। স্থানীয় মৃৎশিল্পী ‌ সিন্টু ভট্টাচার্যের প্রতিমা তৈরীর কারখানা প্রায় বন্ধের মুখে চলে যায়। দেখুন ভিডিও

স্থানীয়দের দাবি মাঠের পাশ দিয়ে যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়৷ সে কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছিল৷ এলাকাবাসির বক্তব্য, শংকর বাবুর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারত না৷ মৃৎশিল্পী সিন্টু ভট্টাচার্য বলেন, শঙ্কর আঢ্য তাঁর ক্ষমতার বলে এই ফেন্সিং দিয়েছিলেন। আমি প্রতিবাদ করায় আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করেছিলেন। এলাকার মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে পারত না। প্রায় দেড় মাস আমাকে ঘরছাড়া হতে বাধ্য করেছিলেন তিনি। এদিন স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে এই ফেন্সিং ভেঙে দিতেই  যেন স্বস্তি ফিরে এলো এলাকায় ।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন