Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
বনগাঁ পুরসভার নাকের ডগায় বাটামোড়ে ভাগাড়ের মাংস ও বিশেষ গুঁড়ো মশলা মেশানো শাহী বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগ পেতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ, চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের: দেখুন ভিডিও জোড়া ভূমিকম্পের পরেও ২০ বার কেঁপেছে ভেনেজ়ুয়েলা, তছনছ রাজধানীর একাংশ, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা ভূমিকম্পের মতো ঝাঁকুনি, বিস্ফোরণের মতো শব্দ!’  প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াল বর্ণনা,  প্ল্যানেই গলদ ছিল’, তারাতলা কাণ্ডে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী! তারাতলা গোডাউন বিপর্যয়:এ পর্যন্ত উদ্ধার ১৩, নামল সেনা, ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কন্ট্রোল রুম খুলে হেল্পলাইন চালু নবান্নর ‘পুরোনো পদ্ধতিতে নয় আর কাজ নয়’, ব্রিকস সামিটে সতর্কবার্তা অজিত ডোভালের, বৈঠক চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে

Pollution : ১৫ বছরের সব পুরনো গাড়ি ৬ মাসের মধ্যে রাজ্যকে বাতিল করতে হবে ! সময়সীমা বেঁধে দিল পরিবেশ আদালত

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ পরিবেশ দূষণ রোধে গ্রিন ট্রাইবুনালের নির্দেশ। আগামী ৬ মাসের মধ্যে কলকাতা হাওড়া সহ রাজ্যের সর্বত্র ১৫ বছরের পুরনো গাড়ি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুনাল ৷ নির্দেশে বলা হয়েছে, আগামী ৬ মাসের মধ্যে ভারত স্টেজ ফোর এর নিচে রয়েছে এমন সমস্ত গণপরিবহন বাতিল করতে হবে। কলকাতা হাওড়া এবং রাজ্যের সর্বত্র ছ মাস পরে যেন এই ধরনের গণপরিবহন আর না চলে তা নিশ্চিত করবে রাজ্য। অন্যদিকে সিএনজি এবং বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত বাসের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়াতে হবে।

কলকাতা এবং হাওড়ার বায়ু দূষণ নিয়েও এদিন নির্দেশ দিয়েছে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুনাল। রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ -কে দায়িত্ব দিয়েছিলেন কলকাতা এবং হাওড়ার দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি খতিয়ে দেখে অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করার জন্য। তাদের দেওয়া রিপোর্টের পরামর্শ চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং সেগুলিকে অবিলম্বে বাস্তবায়িত করতে হবে। তিন মাসের মধ্যে এই রিপোর্ট অনুযায়ী সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলেও এদিন জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি শব্দ দূষণ নিয়েও এদিন কড়া নির্দেশ দেয় গ্রিন ট্রাইবুনাল । বলা হয়েছে পুলিশের সঙ্গে পরামর্শ করে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ নির্দিষ্ট সময় অন্তর নজরদারি চালাতে পারে। এজন্য তারা পর্যাপ্ত সংখ্যক নজরদারি কেন্দ্র এবং যন্ত্রপাতি কিনতে পারেন। তিন মাসের মধ্যে রাজ্য পুলিশকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সাউন্ড লিমিটার সংগ্রহ করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে ঘোষণার জন্য ব্যবহৃত শব্দযন্ত্রে এগুলিকে ব্যবহার করা যায়।

রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ যাতে শব্দ দূষণ নিয়ে নজরদারি চালাতে পারে, তার জন্য যন্ত্রপাতি কেনার কথা বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য কোনও ঘোষণা করার সময় শব্দযন্ত্রে সাউন্ড লিমিটার ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে।

শব্দ দূষণের বিষয়টিতে নজর দেওয়ার জন্য প্রতিটি থানা এলাকায় টাস্ক ফোর্স গঠন করার কথা বলা হয়েছে। নোডাল অফিসার নিযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মোটরসাইকেল বা অন্য়ান্য যানবাহন থেকে যাতে শব্দ দূষণ না ছড়ায়, তার জন্য ট্রাফিক পুলিশকে নজরদারির নির্দেশ।

প্রতিটি থানা অঞ্চলে টাস্ক ফোর্স গঠন করতে হবে যারা শব্দ দূষণের বিষয়টি নজরে রাখবেন এবং একজন নোডাল অফিসারকেও নিযুক্ত করতে হবে। নির্দেশে আরও বলা হয় একজন ট্রাফিক পুলিশকেও নজরে রাখতে হবে যাতে মোটরসাইকেল বা যানবাহনের ক্ষেত্রেও শব্দবিধি মানা হয়।

যদিও এক্ষেত্রে রাজ্যের হলফনামায় দেখা যাচ্ছে রাজ্য সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছে, তবুও সমবেত প্রচেষ্টার অভাব রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে বলা হয় ১৫ বছরের বেশি পুরনো ব্যক্তিগত এবং বাণিজ্যিক গাড়ি কলকাতা হাওড়া-সহ গোটা রাজ্যে যথেচ্ছ সংখ্যায় চলছে। এই সংখ্যাটা বেশ কয়েক লক্ষ হবে। কবে এর মধ্যে ১৫ বছরের পুরনো সমস্ত গাড়ি বাতিল করা হবে তার কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নেই ৷

রাজ্য পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর এই প্রক্রিয়ায় কলকাতা ও হাওড়া পরিবহণ দফতরের আওতায় বাতিল হতে চলেছে লক্ষাধিক গাড়ি। তিন দফায় চলবে পুরনো বাণিজ্যিক গাড়ি বাতিল। প্রথম দফায় বাতিল হবে ১ লা জানুয়ারি ১৯৭০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯ অবধি গাড়ি। দ্বিতীয় দফায় বাতিল হবে ১ লা জানুয়ারি ২০০০ সাল থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০০৭ সাল অবধি গাড়ি। তৃতীয় দফায় ১ লা জানুয়ারি ২০০৮ সাল থেকে ১৫ বছর ধরে চলা গাড়ি বাতিল হবে। বাণিজ্যিক গাড়ি বাতিলের জন্য গাড়ির মালিকদের পাঠানো হচ্ছে চিঠি। প্রথম দফায় বাতিল হওয়া গাড়ির সংখ্যা দাঁড়াবে ৮৪ হাজার।

উল্লেখ্য রাজ্যজুড়ে দূষিত বাণিজ্যিক গাড়ি বাতিলের পথে হাঁটতে চলেছে রাজ্য পরিবহণ দফতর। জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মেনেই শুরু হচ্ছে এই কাজ৷ ১৫ বা তার বেশি পুরনো বাণিজ্যিক গাড়ি বাতিলের জন্যে চিঠি পাঠানোর কাজ শুরু করল রাজ্য পরিবহণ দফতর। গাড়ির মালিকদের কাছে পাঠানো হচ্ছে চিঠি৷ বাতিল করতে হবে গাড়ি। একই সাথে সেই বাতিল হওয়া গাড়ি পুরোপুরি কাটাই করতে হবে৷ তার পরে আঞ্চলিক পরিবহণ দফতরের অফিস থেকে মিলবে ছাড়পত্র৷ ইতিমধ্যেই পোস্ট অফিসের সহায়তা নিয়ে শুরু হয়ে গেল বাড়ি বাড়ি গাড়ি বাতিলের চিঠি পাঠানোর কাজ।

আপাতত স্থির হয়েছে চিঠি হাতে পাওয়ার পরেই গাড়ির মালিককে পরিবহণ দফতরের শুনানিতে অংশ নিতে বলা হবে৷ সেই শুনানিতে গাড়ির মালিককে জানাতে হবে, তারা আর পুরনো গাড়ি রাস্তায় নামাবেন না। এর পরেই রাজ্য সরকার এই গাড়িগুলিকে ব্ল্যাক লিস্টেড করবেন।

মালিকরা গাড়ি স্ক্র‍্যাপ করবেন। সেই স্ক্র‍্যাপ করার কাগজ পরিবহণ দফতরের কাছে জমা দেবেন। ন্যাশনাল ইনফরমেটিক সেন্টারের সহায়তা নিয়ে ঠিকানা জোগাড় করে সরস্বতী প্রেসে চিঠি ছাপানো হয়েছে। সেই চিঠি ডাক বিভাগ ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছে। আপাতত লাখ দেড়েক গাড়ি এভাবেই বাতিল করা হবে।

Advertisement
Tags: featured

সর্বশেষ খবর

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.