Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

MuseoCamera টাচিং লাইটঃ আ প্রিল্যুড টু দ্য বাইসেনটেনিয়াল অফ ফটোগ্রাফি (১৮২৭-২০২৭”) দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:

দেশের সময় :মিউসিও ক্যামেরার কর্ণধার আদিত্য আরিয়ার উপস্থাপনায় ২২ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে ‘টাচিং লাইট’, যা ২৮ জন সমসাময়িক ভারতীয় ফটোগ্রাফারের কাজের সঙ্গে বিরল ঐতিহাসিক আলোকচিত্রের প্রদর্শনী।

অবিনাশ পাসরিচা

যেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে ১৮৫০ সালের এগ অ্যালবুমেন প্রিন্ট, বোর্ন অ্য়ণ্ড শেফার্ড স্টুডিওর ১৮৬০ সালের ছবি, ১৮৭০ সালের বিউটিস অফ লখনৌ সেইসঙ্গে সমসাময়িক আলোকচিত্রীদের মধ্যে যারা এখনও এই পদ্ধতিতে কাজ করে চলেছেন তারমধ্যে মিউজিও ক্যামেরার কর্ণধার আদিত্য আরিয়া, এছাড়াও দীনেশ খান্না, প্রশান্ত পাঞ্জিয়ার, মহেশ ভাট, টি নারায়ণ, হারদেভ সিং, মালা মুখার্জি, জয়ন্ত সাউ প্রমুখ। দেখুন ভিডিও


২০২৭ সালে আলোকচিত্র তার দুশোবছর পূরণ করতে চলেছে। টাচিং লাইট বর্তমানের অ্যানালগ ফটোগ্রাফির অনুশীলনকারীদের নিয়ে এমনই একটি প্রদর্শনী যা আলোকচিত্রের অ্যানালগ পদ্ধতির ফিল্ম লোডিং থেকে শুরু করে অন্ধকার ঘরের রোমাঞ্চ, বিভিন্ন প্রকৃতি, প্রক্রিয়া, তার বিগত দুই শতাব্দীর ভারতীয় আলোকচিত্রীদের যাত্রা, অভিযোজন, স্থিতিস্থাপকতা এবং সৃজনশীলতাকে প্রতিফলিত করে।

এই বছরই বিশ্ব আলোকচিত্র দিবসের দিন মিউজিও ক্যামেরা তার ছয় বছর পূর্ণ করল, আর সেই ছয় বছরের যাত্রা পথে আলোকচিত্রের দুশো বছরের ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায়কে ধরে রেখেছে তার পরতে পরতে।
পুরনো দিনের বিভিন্ন আকৃতির ভিন্টেজ ক্যামেরা ও তার ইতিহাস সেইসঙ্গে ভিন্ন সাইজের কালার এবং ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট গ্লাস প্লেট, পেপার, ফিল্ম, টান্সপারেন্সি, নেগেটিভসেই সেজে উঠেছে ভারতবর্ষের একমাত্র এই ক্যামেরা মিউজিয়াম। যার ঝাড়লন্ঠনটিও তৈরি ভিন্টেজ ক্যামেরা দিয়েই।

প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী আলোকচিত্রীদের গ্রুপ ছবি

আলোকচিত্র তার দুশো বছরের ইতিহাসের পাতায় শিল্প এবং নান্দনিকতার কোন পর্যায় তা এই মিউজিও ক্যামেরায় না এলে বোঝা দায়।

‘টাচিং লাইট’ প্রদর্শনীটির মূল বিষয়ই হল আলোকচিত্রের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়, আর সেখানেই প্রদর্শিত হয়েছে ২৮ জন সমসাময়িক ভারতীয় আলোকচিত্র শিল্পীর কাজ যা আজও আলোকচিত্রের এই ইতিহাস বহন করছে। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন জয়ন্ত সাউ যার কাঠের ক্যামেরায় পেপার নেগেটিভে তোলা বাংলার সার্কাস এবং বাউলের বিভিন্ন পোর্ট্রেট প্রদর্শিত হয়েছে; সেইসঙ্গে তিনি তার একটি হাতে তৈরি কাঠের ক্যামেরায় একশো বছর পুরনো পদ্ধতিতে পেপার নেগেটিভের মাধ্যমে আগত দর্শকদের লাইভ ছবি তুলে উপহার দিয়েছেন। এই ডিজিটাল যুগে যা উপস্থিত দর্শকদের এবং নতুন প্রজন্মকে অ্যানালগ ফটোগ্রাফির প্রতি নতুনভাবে আগ্রহী করে তুলেছে।

মিউসিও ক্যামেরা গুরুগ্রামে প্রদর্শনীটি চলবে ২৩ শে আগস্ট থেকে ২৯ শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রদর্শনীর সময় সকাল ১১টা থেকে সন্ধে ৭টা।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন