অনলাইনে আবেদন করলেই মিলছে বিধায়কের সার্টিফিকেট! বড় উদ্যোগ খাদ্যমন্ত্রীর
deshersamay

ফিস কামাই করে অথবা বাড়ির কাজ ফেলে নানা দরকারে মানুষকে ছুটতে হয় বিধায়ক অফিসে। তার জন্য যেমন অনেক সময় ব্যায় যায়, তেমনি যাতায়াতে অনেক খরচ-খরচাও হয়। অনেক সময় আবার লোকজন না জেনে-বুঝেই বিধায়ক অফিসে পৌঁছে যান।
সেখানে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, যে কাজের জন্য তিনি বিধায়ক অফিসে গিয়েছেন, সেখানে সেই পরিষেবা পাওয়া যায় না। তখন নিরাশ হয়ে খালি হাতে ফিরতে হয় মানুষকে। এই ধরনের হয়রানি কমাতে অভিনব পদক্ষেপ করলেন বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের খাদ্য ও সমবায় দপ্তরের মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া।

বিজেপি সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরে ক্যাবিনেটের প্রথম যে পাঁচজন মন্ত্রীর নাম ঘোষণা হয়েছিল তার মধ্যে ছিলেন বনগাঁ উত্তর বিধানসভার বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া। এরপর তিনি খাদ্য সরাবরাহ ও সমবায় দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন। মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার ফলে বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া বনগাঁ উত্তরের মানুষের সেবার জন্য সময় কম দিতে পারছিলেন। ফলে অনেকেই নানা অসুবিধায় পড়ছিলেন। এই সমস্যা সমাধানে ডিজিটাল সার্টিফিকেট দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া।
এই ধরনেরক উদ্যোগ রাজ্যে প্রথম। এবার অনলাইনে আবেদন করলেই মিলবে বিধায়কের শংসাপত্র। সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে বনগাঁ বিধানসভা এলাকার বাসিন্দারা আবেদন করলেই সঙ্গে সঙ্গে মিলবে বিধায়কের সার্টিফিকেট৷

আবেদন করতে হবে micashokkirtania.com -এ। এখানে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, সিএএ করার জন্য রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, ইনকাম সার্টিফিকেট-সহ অন্যান্য সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করা যাবে।
খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া বলেছেন, “বনগাঁ উত্তরের মানুষকে সময় ব্যয় করে বিধায়কের অফিসে না এসে তাঁরা বাড়িতে বসে এমএলএ-র তরফে যা যা পরিষেবা দরকার অনলাইনের মাধ্যমে সে সবকিছু পেয়ে যাবেন। যে যে কোয়ারিজ দেওয়া হয়েছে, সেই কোয়ারিজ ফর্ম পূরণ করে অনলাইনে সব সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন। মানুষকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনেকেই ইতিমধ্যে পেয়ে গিয়েছেন। আধার কিংবা ভোটার কার্ড ভেরিফিকেশনের জন্য অপশন রয়েছে।”

অশোক বাবু আরও বলেন, “যেহেতু পার্টি এবং শুভেন্দু অধিকারী আমাকে মন্ত্রী করেছেন তাই বনগাঁ উত্তরে কম থাকতে পারব। বিগত দিনে যেভাবে পরিষেবা দিয়ে এসেছি তাতে যাতে ঘাটতি না হয় তার জন্য এই ব্যবস্থা। আবেদনের সঙ্গে সঙ্গে একদিনের মধ্যে সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন।
মন্ত্রীর দাবি তাঁরই উদ্যোগে চালু হলো ‘ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন সার্টিফিকেট পোর্টাল’। এর মাধ্যমে বাড়িতে বসেই অনলাইন সিস্টেমে বিভিন্ন পরিষেবা পাওয়া যাবে। তাঁর দাবি, এই ধরনের আধুনিক পরিষেবা রাজ্যের মধ্যে প্রথম উত্তর বনগাঁ বিধানসভা কেন্দ্রেই চালু হলো।

