Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Narendra Modi: ঠাকুরনগর মতুয়া মহাসংঘের মেলায় ভাষণের আগে বড় মা-র সঙ্গে ছবি টুইট, পুরানো স্মৃতি রোমন্থন প্রধানমন্ত্রীর

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ হরিচাঁদ ঠাকুরের ২১১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঠাকুরনগরের মতুয়া মহাসংঘের মেলায় ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেবেন তিনি। ঠাকুরনগরের মেলায় যোগ দেওয়ার আগে তাঁর ২০১৯ সালের ঠাকুরনগর সফরের ছবি শেয়ার করেছেন টুইটারে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঠাকুরনগর সফরকালে তিনি দেখা করেছিলেন ঠাকুরবাড়ির বড় মা বীণাপাণি ঠাকুরের সঙ্গে। সেই স্মৃতির কথা টুইটারে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

https://twitter.com/narendramodi/status/1508449470253436928?t=4P4UfloCvpeRNWMfBCvh3w&s=19 ন

টুইটারে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আমার ঠাকুরনগর যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। এটি ছিল এমন একটি সফর যা আমি কখনোই ভুলব না। বড়ো মা বীণাপানি ঠাকুরের আশীর্বাদ পেয়ে আমি ধন্য হয়েছিলাম।” সেই সঙ্গে আরও একটি টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি মঙ্গলবারের সূচির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, “আগামিকাল, ২৯ মার্চ বিকেল সাড়ে চারটের সময় মতুয়া ধর্ম মহা মেলা ২০২২-এ ভাষণ দেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি৷ আমরা হরিচাঁদ ঠাকুরজির জন্মজয়ন্তীও পালন করব। তিনি তাঁর সমগ্র জীবন সামাজিক ন্যায়বিচার ও জনকল্যাণের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন।”

প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “হরিচাঁদ ঠাকুর স্বাধীনতার আগে অবিভক্ত বাংলার নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের উন্নতির জন্য তাঁর সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ১৮৬০ সালে ওড়াকান্দি (বর্তমানে বাংলাদেশে) থেকে তাঁর সামাজিক ও ধর্মীয় আন্দোলন শুরু হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তা থেকেই মতুয়া ধর্ম গঠন হয়।” উল্লেখ্য, ২৯ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই মতুয়া মহামেলা৷

উল্লেখ্য, মতুয়া মহাসংঘের অন্যতম প্রধান মুখ বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। সাম্প্রতিককালে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে শান্তনু ঠাকুরের সম্পর্ক খুব একটা ভাল যাচ্ছে না। বিশেষ করে বিজেপির রাজ্য কমিটি ও জেলা কমিটিতে মতুয়া সম্প্রদায়ের পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব নেই বলে বার বার সরব হয়ে এসেছিলেন শান্তনু ঠাকুর। শান্তনু ঠাকুরের হাত ধরে সাম্প্রতিক অতীতে এক ছাতার তলায় আসতে দেখা গিয়েছি বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতাদের। এবার সেই শান্তনু ঠাকুরের মতুয়া মহাসংঘের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কি কোনও প্রচ্ছন্ন বার্তা দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? তার উতর খুঁজতে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের অপেক্ষায় বঙ্গ বিজেপি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল৷

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন