Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

I PAC-Vinesh Chandel: আইপ্যাক-কর্তা বিনেশের ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ!

deshersamay

Share article:

অর্থ পাচার মামলায় ভোটকুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (আইপ্যাক)-এর অন্যতম কর্তা বিনেশ চান্দেলকে ১০ দিনের জন্য হেফাজতে পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। মঙ্গলবার ভোরে দিল্লির পটীয়ালার আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে।

কয়লা পাচার মামলায় (Coal Scam Case) ধৃত আইপ্যাকের অন্যতম কর্ণধার ভিনেশ চান্ডেলকে (I PAC director Vinesh Chandel) ১০ দিনের ইডি হেফাজতে থাকতে হবে। সোমবার রাতে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রে খবর, গভীর রাতে আদালতে হাজির করা হয়, ভোর পর্যন্ত শুনানি চলে। ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) বাকি আর কয়েকদিন। এর মধ্যেই তৃণমূলের ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধারের গ্রেফতারি নিয়ে শোরগোল পড়েছে।

চলতি মাসের ২ তারিখ, ইডি (ED) আধিকারিকরা ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন। সেই সময় বেশ কিছু নথিপত্র হাতে আসার পর সোমবার তাঁকে গ্রেফতার করা হল।

এর আগে ইডি এই সংস্থার আরও দুই বড় কর্তা- প্রতীক জৈন এবং ঋষি রায় সিংকেও তলব করেছিল। তবে সামনেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন মেটানোর পর হাজিরা দেওয়ার অনুমতি চেয়ে তাঁরা দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির দাবি, বাংলায় কয়লা পাচারের প্রায় ২০ কোটি টাকা ‘হাওয়ালা’র মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে। এই মামলার তদন্তেই গত জানুয়ারি মাসে আইপ্যাক-এর অন্যতম ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের অফিসে অভিযান চালিয়েছিল ইডি। সেই অভিযানের সময় একটি অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটেছিল—খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন।

বিনেশের গ্রেফতারি নিয়ে ইডি-র দাবি, ওই সংস্থায় একাধিক আর্থিক অনিয়মের ঘটনা উদ্‌ঘাটিত হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে হিসাবভুক্ত এবং হিসাববহির্ভূত উভয় প্রকার তহবিল গ্রহণ, জামানতবিহীন ঋণ, ভুয়ো চালান প্রদান, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে তহবিল স্থানান্তর ইত্যাদি। তা ছাড়াও নগদ অর্থ স্থানান্তরের জন্য দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক হাওয়ালা চ্যানেল ব্যবহারের অভিযোগও করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

মঙ্গলবার আদালতে ইডির আইনজীবী বলেন, ‘‘তদন্তে উঠে এসেছে আইপ্যাক— কনসাল্টিং প্রাইভেট সংস্থা বহু কোটি টাকার অপরাধলব্ধ অর্থ পাচারে জড়িত ছিল। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।’’ সওয়াল-জবাবের পর আইপ্যাকের অন্যতম কর্তা বিনেশকে ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন