Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

I-PAC:আইপ্যাক নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক, কী বললেন

deshersamay

Share article:

বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে অভিষেক বলেন, “তোমাদের কাছে সব আছে ভাই, মানুষ নেই। তৃণমূলের কাছে কিছু নেই, মানুষ আছে। খেলা হবে। গণতন্ত্রে গণদেবতা তো শেষ কথা বলে। অমিত শাহ তো ভোট দেবে না, নরেন্দ্র মোদী তো ভোট দেবে না, মিডিয়ার লোক তো ভোট দেবে না। ভোট দেবে তো খেটে খাওয়া মানুষ, শ্রমিক-কৃষক-মা-ভাইয়েরা। এমন জবাব দেবেন যেন ওদের অহংকার ভেঙে যেন চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়।”এবার মতুয়াগড়ে গিয়ে একই ইস্যুতে সুর চড়াতে দেখা গেল তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কামান্ডকে। তাহেরপুরের সভা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার তোপ দাগলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

বৃহস্পতিবার যে সময় আইপ্যাকের  কর্ণধার প্রতীক জৈন  এবং সংস্থার অফিসে ইডি হানা চলছে সেই সময়ই মালদহের  জলঙ্গায় পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে জনসভা করছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । কিন্তু নিজের বক্তব্যে ইডি হানা প্রসঙ্গে টু শব্দও করেননি তিনি। বিষয়টিতে সকলেই অবাক হয়েছিলেন। শুক্রবার নদিয়ার তাহেরপুরে অভিষেকের সভা ছিল। সেখানে দাঁড়িয়ে আর কাউকে অবাক করলেন না তিনি।

প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর আইপ্যাকে ইডি হানা নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তাহেরপুরের সভায় দাঁড়িয়ে এসআইআরের  সঙ্গে এই তল্লাশি অভিযানকে জুড়ে দিয়েছেন তিনি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য, এসআইআরের জন্য আইপ্যাক কাজ করায় এই হানা করানো হয়েছে।

অভিষেক বলেন, ”তৃণমূলের জন্য ভোটার তালিকা সংক্রান্ত একটি অ্যাপ তৈরি করেছে আইপ্যাক নামের সংস্থা। সাধারণ ভোটারদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তার জন্য। কেন এসআইআরে তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে, কেন গরিব মানুষের সাহায্য, সহযোগিতা করছে, তার জন্য সেই সংস্থায় ইডিকে  দিয়ে অভিযান করিয়েছে।” এই প্রসঙ্গে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একসঙ্গে নিশানায় নিয়ে তাঁর কটাক্ষ – সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ইসিকে দিয়ে হরণ করছে। তৃণমূল সাংসদ সাফ বলেন, এটাই বিজেপির ফর্মুলা।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে  সাফল্যের পর আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের চুক্তির মেয়াদ বেড়েছে। যদিও প্রতিষ্ঠাতা পিকে এখন নিজের তৈরি সংস্থার দৈনন্দিন কার্যকলাপে যুক্ত নন। তিনি বিহারের রাজনীতিতে নিজের দলকে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যস্ত। প্রশান্তের অনুপস্থিতি অবশ্য আইপ্যাকের ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ কমাতে পারেনি।

এদিকে, শাসকদলের একটি অংশ মনে করে (মূলত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি অনুগত নেতারা), আইপ্যাকের সাহায্যে দলে একটি ‘সিস্টেম’ চালু করা গিয়েছে। যা ২০১৯ সালের ভোটের পরে ছন্নছাড়া হয়ে গিয়েছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বাংলায় ‘ধাক্কা’ খাওয়ার পরে পিকের তৈরি ওই পরামর্শদাতা সংস্থাকে পেশাগত ভাবে নিয়োগ করেছিল তৃণমূল। আইপ্যাক প্রথম তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরে দলের অন্দরে যে বিক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, তাতে ২০২১ সাল পর্যন্ত আমল দেননি শীর্ষনেতৃত্ব। ভোটের ফলাফলে দেখা গিয়েছিল, পরামর্শদাতা সংস্থার কথায় চলে লাভই হয়েছে তৃণমূলের।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতরে ইডির তল্লাশি অভিযান চলছিল । সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের  বাড়িতে যেমন নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তেমনই আইপ্যাকের অফিস থেকেও একাধিক ফাইলের বান্ডিল নিয়ে বেরোতে দেখা যায় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের ।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন