Habra Newsহাবড়ায় পথচলা শুরু এসভিএফের, এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ
deshersamay

হাবড়া: এবার হাবড়াতেও খুলে গেল SVF-এর সিনেমা হল (Cinema Hall In SVF)। শুক্রবার রথের দিন সাধারণের জন্য এই হল খুলে দেওয়া হয়।
মোট চারটি ছবি দিয়েই হাবড়াযয় এই হলের যাত্রা শুরু করা হয়েছে। কলকাতার (Kolkata) বাইরে শুধুমাত্র হাবড়াতেই নয় -রাজ্যের বিভিন্ন শহরে এসভিএফের (SVF) প্রায় ২৭টি হল রয়েছে।

শুক্রবার হাবরাতে SVF সিনেমা হলের উদ্বোধনে টিম একেন আনন্দ ভাগাভাগি করতে এসেছিল! তাদের ছবিটি ইতিমধ্যেই হৃদয় জয় করেছে, টিমের এই সফর উদ্বোধনকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে। এর মাধ্যমে, SVF সিনেমা তাদের ২৭তম শাখা উদ্বোধন উদযাপন করেছে, যার মধ্যে ৫৫টি স্ক্রিনের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে, যার মধ্যে কোম্পানি-পরিচালিত এবং ব্যবস্থাপনা-নিয়ন্ত্রিত উভয় ইউনিট রয়েছে।
আর এই হলকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে যথেষ্ট কৌতূহল দেখা গিয়েছিল। তবে কলকাতার (Kolkata) বাইরে শুধুমাত্র হাবড়াতেই নয় , রাজ্যের বিভিন্ন শহরে এসভিএফের (SVF) প্রায় ২৭টি হল রয়েছে। বারুইপুর, নরেন্দ্রপুর, কৃষ্ণনগর, মোগরা, জলপাইগুড়ি, গিরিডি, পুরুলিয়া, শেওড়াফুলি, চুঁচুড়া, কোচবিহার এবং বোলপুরেও এই ধরনের হল রয়েছে।
প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয় করে এই হল তৈরি করা হয়েছে। তবে নতুন হল খোলার জন্য হাবড়াকেই কেন বেছে নেওয়া হল? এই বিষয়ে জানতে দেশের সময় ডিজিটালের তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল এসভিএফের সঙ্গে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এক সময় যেখানে বাংলা ও হিন্দি সিনেমা রমরমিয়ে চলত সেই সব এলাকাগুলিকেই বেছে নেওয়া হয়েছে নতুন সিনেমা হলের জন্য। হাবড়াও তার মধ্যে অন্যতম। যে সব এলাকার মানুষের মধ্যে হিন্দি এবং বাংলা ভাষার সিনেমার চাহিদা রয়েছে সেই সব এলাকাকে বেছেই এই হল তৈরি করা হচ্ছে। হাবড়াতেও এক সময় দুটি সিঙ্গল স্ক্রিন রমরমিয়ে চলত। তবে বহু দিন ধরেই ওই এলাকায় একটি ভালো হলের চাহিদা ছিল। তার জেরেই পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে হাবড়াকেই বেছে নিয়েছে এসভিএফ।
আর এই হলকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ছিল একেবারে চোখে পড়ার মতো। হলের জন্য খুশি সিনেপ্রেমীরা। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “ছুটির দিনে অনেক সময় মনে হত সিনেমা দেখতে যাই। কিন্তু, ভালো হল না থাকায় আর তা সম্ভব হত না। তবে এই হল হওয়াতে আমাদের খুব সুবিধা হয়েছে। এখন ছুটির দিনে পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে অনায়াসেই এই হলে সিনেমা দেখতে যেতে পারব। খুবই ভালো লাগছে। বাড়ির কাছে একটা হল হওয়ায় আমরা খুবই খুশি।”
এই হল প্রসঙ্গে হাবড়া পুরসভার চেয়ারম্যান নারায়ণ সাহা বলেন, সিনেমাপ্রেমী মানুষ আবারও সিনেমা দেখতে এই হলে এসে ভির করবেন এর ফলে এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে ।
এক স্থানীয় চা ও ফুচকা বিক্রেতা বলেন, “হল হয়ে খুবই ভালো হয়েছে। কারণ এখানে যত মানুষের ভিড় হবে তত আমার দোকানেও ভিড় বাড়ার সম্ভাবনা থাকবে। আশাকরি ছুটির দিনগুলিতে ব্যবসা বেশ ভালোই হবে। এখন দেখা যাক কী হয়।”

Leave a Reply