Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

ECI : গাড়িতে লাগানো থাকবে GPS, ভোটে নিষ্ক্রিয়তা চলবে না! রাজ্যকে বড় বার্তা কমিশনের

deshersamay

Share article:

কলকাতা : কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না। সরাসরি কাজে পাঠাতে হবে। রাজ্যকে কড়া বার্তা নির্বাচন কমিশনের। ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় করে রাখারও অভিযোগ উঠেছে।

তবে, এবার কমিশনের স্পষ্ট বার্তা, ভোটের কাজে এসে যেন কেন্দ্রীয় বাহিনী বসে না থাকে। এদিকে, ভোটের আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপি বলছে, নির্বাচন কমিশনের হাতে যদি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থাকে, তাহলে কাজ হবে। আর বাহিনী রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে থাকলে, কোনওদিনই কাজ করতে পারবে না। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি, বাহিনী এনে মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।

সোমবারই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বৈঠকে বসেছিল নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য পুলিশ প্রশাসন। ওই বৈঠকেই নির্বাচন কমিশন প্রশ্ন তোলে ভোটের কাজে এসে বাহিনী কি বসে থাকবে? কমিশনের নির্দেশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সরাসরি কাজের জায়গায় পাঠাতে হবে। তবে, কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে, সেই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে, স্বাভাবিকভাবেই স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়িতে জিপিএস থাকবে।

কমিশনের আরও নির্দেশ, রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে রেখেই কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নজর রাখবে রাজ্য প্রশাসন। বৈঠকের পর রাজ্য পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, ভালই আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন ভালভাবেই হবে।

রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে জোর তরজা চলছে রাজনৈতিক মহলে। বাহিনী প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “প্রথম কথা হল কমিশনের যদি আজও চোখ না ফোটে, তাহলে কোনওদিনই চোখ ফুটবে না। রাজ্য সুপ্রিম কোর্টেরই নির্দেশ মানছে না, তাহলে কমিশনের কথা কেন শুনবে? একটা বিষয় খুব স্পষ্ট, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিচালনার দায়িত্ব যদি রাজ্য সরকারের কোনও মন্ত্রকের দায়িত্বে থাকে, তাহলে সেই বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে। কোনও কাজ হবে। বাহিনীকে নির্বাচন কমিশনের হাতে রেখে কাজ করাতে হবে।”

তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “নির্বাচন কমিশনকে কেন নিরপেক্ষ রাখা হল না ? মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে হবেন, তা কেন মোদী, অমিত শাহ মিলে ঠিক করলেন? গোড়ায় গলদ তো, সজলবাবু ব্যাখ্যা দিতে পারবেন? এটা দখলদারি মানসুকতা, জমিদারি মানসিকতা।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশনটা কার?…যতসব উদ্ভট কথা। মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য যত মিলিটারি, আধাসামরিক বাহিনী নিয়ে আসা হয়েছে। এখন সৈন্য নামিয়ে মানুষকে সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি।”

উল্লেখ্য, মার্চেই রাজ্যে আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। দুই দফায় বাহিনী আসছে রাজ্যে। ১ মার্চ রাজ্যে আসছে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। ১০ মার্চ বাকি ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসবে। ৪৮০ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে থাকছে সিআরপিএফ ২৩০ কোম্পানি, বিএসএফ ১২০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ৩৭ কোম্পানি, আইটিবিপি ৪৭ কোম্পানি ও এসএসবি ৪৬ কোম্পানি।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন