

দেশের সময় , বনগাঁ: কখনও বৃষ্টি, কখনও চাদিফাটা গরমে গলদঘর্ম হয়েই চলছে বিকিকিনি। বনগাঁ শহরের — সর্বত্রই পুজোর শপিংয়ের চেনা ছবি ফিরেছে৷ ফলে হাসি ফুটেছে ব্যবসায়িদের মুখে৷

আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। তার পরই শুরু হচ্ছে দুর্গাপুজো। তাই পুজোর শপিংয়ে এখন শেষ বেলার ব্যস্ততা। যশোর রোডের দু’ধার থেকে শুরু করে, নিউমার্কেট , বাটা মোড়,, ট,বাজার, মতিগঞ্জ— সর্বত্র ক্রেতাদের ভিড় একেবারে উপচে পড়ছে।
ফুটপাথের অস্থায়ী দোকান থেকে ঝাঁ চকচকে শোরুম, শপিং মল, প্রায় সব জায়গাতেই দম ফেলার ফুরসত পাচ্ছেন না ব্যবসায়িরা৷ কিন্তু তাতেও এতটুকু বিরক্ত নন দোকানের মালিক থেকে কর্মীরা৷ বরং লক্ষ্মী-লাভে তাঁরা খুশি৷

ক্রেতাদের ভিড়ের মুখ দেখেছেন শহরের বিভিন্ন বাজার এলাকার ব্যবসায়িরা। প্রায় সর্বত্র জমজমাট পুজোর শপিং! বেল্ট, বাহারি জুতো, ব্যাগ, কুর্তি, টি-শার্ট, জিন্সের প্যান্ট, বাচ্চার জামা থেকে খেলনা, সবেরই চাহিদা এবার তুলনামূলক বেশি।

ট, বাজার এলাকায় জামা-কাপড়ের সঙ্গে সঙ্গে পুজোয় ঘর সাজানোর জন্য চাদর, পর্দা, ফুলদানি, কাপড়ের তৈরি বাহারি ফুলের বিক্রিও বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। তাছাড়া, পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না আর মেকআপের নানা সামগ্রির দোকানে পা ফেলার জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না।
পুজোর শপিংয়ের ভিড় এবার চোখে পড়ার মতো বাটামোড় এলাকার পোশাকের বাজার গুলিতে। ২৫০-৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০ টাকার পোশা— সবই বিক্রি হচ্ছে হুরমুড়িয়ে।
এমনিতেই সারা বছর এখানে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়। পুজোর শপিংয়ের শেষ বেলায় ক্রেতাদের সংখ্যাটা বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। সবমিলিয়ে খুসি এই বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতা সকলেই।
বাটা মোড়ে কেতা-দুরস্ত জুতো, পোশাকের সঙ্গে মানানসই ব্যাগ-পার্স-বেল্টের বিক্রি সবচেয়ে বেশি। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে বিক্রেতাদের৷
যশোর রোডে উপচে পড়ছে শপিং-মুখী সাধারণ মানুষের ভিড়, যা সামাল দিতে কালঘাম ছুটছে পুলিশের। তবে আরও কিছু দিন এভাবেই পুজোর শপিংয়ের ভিড়ে জমজমাট কেটাকাটা চলবে মতিগঞ্জ থেকে নিউ মার্কেট, ট, বাজার থেকে যশোর রোডের সর্বত্র।



