Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Digha’দানা’র হাত থেকে রক্ষা পেতেই দিঘা সৈকতে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পর্যটকেরা : দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:
অর্পিতা বনিক দেশের সময়

ঝাপটা মেরে নড়িয়ে দিয়েছে ঘূর্ণিঝড় দানা। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও একেবারে কম নয়। ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ রাখা হয়েছিল সৈকত নগরী দিঘা-সহ তাজপুর, মন্দারমনি ও শঙ্করপুরের প্রবেশদ্বার। আপাতত দানা অতীত। তার প্রভাবে শুক্রবার দিনভর বৃষ্টি হলেও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে প্রকৃতি। দেখুন ভিডিও

পর্যটনের কথা মাথায় রেখে শনিবার থেকেই আবার এই এলাকাগুলিতে শুরু হচ্ছে পর্যটন। পর্যটকদের জন্য ফের খুলছে হোটেল ও রিসর্টের দরজা। জানিয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজি।

হাওয়া অফিস সূত্রের খবর , বর্তমানে হাওয়ার গতি কমেছে  দিঘা এবং  মন্দারমণিতে। উত্তাল সমুদ্র শান্ত হয়েছে কিছুটা।

দানা সরতেই দিঘার সমুদ্র সৈকতে দেখা মিলছে পর্যটকদের ভিড়।  তবে অবিরাম বৃষ্টি হয়ে চলেছে। সমুদ্রের ধারে কাছেও যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এখনও ।  চলছে মাইকিং।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় দানা ল্যান্ডফল করেছে পড়শি রাজ্য ওড়িশাতে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাতেও। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে। সঙ্গে সমুদ্রের গর্জন এবং  ঝোড়ো হাওয়া।  

তবে শুক্রবার সকাল থেকে বদল হতে থাকে আবহাওয়া। ধীরে ধীরে কমেছে বৃষ্টির পরিমাণ। এখন ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে দিঘায়। আকাশ  রয়েছে কালো। আর এই সময় দিঘার আবহাওয়া উপভোগ করতে দিঘা ও অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রে পৌঁছে যান অত্যুৎসাহী কিছু পর্যটক।

তবে এখনও দিঘায় মোতায়েন রয়েছে এনডিআরএফ টিম এবং   পরিস্থিতি দিকে লাগাতার নজর রাখছে প্রশাসন।

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক জানিয়েছেন, ঝড়ে তাঁর জেলায় ২৫০-র কাছাকাছি গাছ ভেঙে পড়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই সেই গাছগুলি কেটে রাস্তা পরিস্কারের কাজ চলছে। সেইসঙ্গে চলছে শহর পরিস্কারের কাজ। জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, শনিবার যখন পর্যটকরা সৈকত নগরী পৌঁছবেন তখন আশা করা যায় তাঁদের সামনে ঝড়ের স্মৃতি ভুলিয়ে আগের মতোই সেই ঝকঝকে তকতকে দিঘাকে হাজির করানো যাবে।

মন্দারমনি রিসর্ট ও হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সন্দীপন বিশ্বাস জানান, ‘‌পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। এই উইকেন্ডে অনেক বুকিং বাতিল করতে হয়েছে। ফলে আগামী সপ্তাহে অর্থাৎ কালীপুজো ও দিওয়ালিতে প্রচুর চাপ আসছে। আগামী সপ্তাহে কোনও রিসর্ট ও হোটেলে আর জায়গা নেই। সব বুকড। শনিবার থেকেই আমরা পর্যটকদের স্বাগত জানাব।’‌

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন