Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Central Force ভোট ঘোষণার আগেই সীমান্তে শুরু বাহিনীর রুট মার্চ ,রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি বাহিনী

deshersamay

Share article:
সুওপা দে, দেশের সময়

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন থেকেই জেলার সীমান্তবর্তী বনগাঁ ও বসিরহাট মহকুমায় বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে রুট মার্চ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া গড়ে যাতে অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য এ দিন থেকেই ২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রথম পর্যায়ে মোতায়েন করা হয়েছে বনগাঁয়।

বনগাঁ মূলত মতুয়া গড় হিসেবে পরিচিত। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার পর মতুয়াদের ক্ষোভে যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে, তার জন্যই এ দিন বনগাঁ থেকে গাইঘাটা এবং বাগদার বিভিন্ন এলাকা ডমিনেট করার কাজ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শনিবার রাতের মধ্যেই আরও ২ কোম্পানি বাহিনী পৌঁছে যায় বনগাঁয়। বারাসত পুলিশ জেলাতেও শনিবার রাতের মধ্যে পৌঁছে যাবে ৬ কোম্পানি বাহিনী। রবিবার থেকে বারাসত পুলিশ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় রুট মার্চ করবে তারা।

এই প্রসঙ্গে বনগাঁর পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত বলেন, ‘শুক্রবার ২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছে। শনিবার আরও ২ কোম্পানি চলে এসেছে। বনগাঁর জন্য প্রথম পর্যায়ে ৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন হয়েছে।’

এদিকে ভোট ঘোষণার আগে রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী । দু’দফা মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি মোতায়েন হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় । কোন জেলায় আর কত বাহিনী থাকছে?

সাধারণত রাজ্যে ভোট  ঘোষণার দু-একদিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। তবে এবছর একদিকে বিধানসভা নির্বাচন , তার উপর
এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে আগেভাগেই বাংলায় এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হয়েছিল রাজ্যে।

জানা গেছিল, ১ মার্চের মধ্যে প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি এবং ১০ মার্চের মধ্যে আরও ২৪০ কোম্পানি রাজ্যে ঢুকবে। বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ , বিএসএফ , সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি। ইভিএম ও স্ট্রংরুম পাহারা, ভোটের দিন নিরাপত্তা, এলাকা দখলমুক্ত রাখা এবং আস্থা ফেরানো, এই সব দায়িত্বেই তাদের ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি কোম্পানির ৯টি সেকশনের মধ্যে ৮টি সেকশন সরাসরি বুথ ও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে, বাকি ১টি কিউআরটি ও তদারকির কাজে।

সেইমতোই গতকাল (১ মার্চ) নির্ধারিত জেলায় পৌঁছে গিয়েছে প্রথম দফায় রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার জানা গেল দ্বিতীয় দফার ২৪০ কোম্পানির কোথায় কত মোতায়েন করা হবে।

সব মিলিয়ে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এই জেলায় আসছে ৩৩ কোম্পানি। এরমধ্যে বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৩, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১১ ও সুন্দরবন পুলিশ জেলায় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯ কোম্পানি।

এরপরেই কলকাতাকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে মোতায়েন হচ্ছে ৩০ কোম্পানি বাহিনী। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

এছাড়াও, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২০, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১৯, মালদহে ১৮, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৫, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১০ কোম্পানি মোতায়েন করা হচ্ছে।

এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। নাম বাদ, বিচারাধীন প্রক্রিয়া নিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে বিঁধেছে শাসক দল তৃণমূল। ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষও। আগামী শুক্রবার এর প্রতিবাদে মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর ইস্যুতে জেলায় জেলায় অশান্তির আশঙ্কাও রয়েছে। এদিকে কয়েকদিনের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে, সব মিলিয়ে বাংলায় উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। 

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন