Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

বনগাঁয় ৬ তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের পদত্যাগের ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা শুরু: দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:

দেশের সময়: বনগাঁ ব্লকে এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ। একযোগে পদত্যাগ করলেন বনগাঁ ব্লকের ৬টি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধানেরা। আজ তাঁরা সশরীরে বনগাঁর ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও)-এর দপ্তরে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। একই দিনে, একই ব্লকের এতজন পঞ্চায়েত প্রধানের এই গণ-ইস্তফাকে কেন্দ্র করে মহকুমা তথা জেলা জুড়ে তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা ও আলোড়ন শুরু হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পদত্যাগকারী প্রধানদের তালিকায় রয়েছেন–  গোপালনগর–১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মুক্তি হালদার, গোপালনগর–২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ঊষাকান্তি পাল, ছয়ঘড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সবিতা সরকার মণ্ডল, ধর্মপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তাপস মণ্ডল ,আকাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পূরবী সরকার, এবং গঙ্গানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মলিনা সরকার। দেখুন ভিডিও

তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতগুলির এই ৬ জন প্রধানের আচমকা একসঙ্গে পদত্যাগের প্রকৃত কারণ কী, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ইস্তফা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানদের কেউই খোলাখুলিভাবে মুখ খুলতে চাননি। প্রত্যেকেই এটিকে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ বলে এড়িয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা বা ব্লক নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক বা স্পষ্ট কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। দলের অন্দরের কোনও ক্ষোভ, নাকি ওপর মহলের কোনও নির্দেশিকা এর পেছনে রয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে।

বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিকাশ ঘোষ এব্যাপারে বলেন, “তৃণমূলের প্রধান থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সদস্য– প্রত্যেকেই যেভাবে আকণ্ঠ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তাতে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়ার ভয়ে তাঁরা এখন পঞ্চায়েত অফিসে আসতে ভয় পাচ্ছেন। সেই ভয় এবং বাধ্যবাধকতা থেকেই এই পদত্যাগ। এখানে আমাদের কোনো ভূমিকা নেই। বিজেপি সেই সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী নয়।”

একসঙ্গে এতগুলি গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চায়েতের শীর্ষ পদ শূন্য হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই গ্রামীণ এলাকার প্রশাসনিক কাজ থমকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, পদত্যাগপত্রগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ইস্তফা গৃহীত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ কীভাবে পরিচালিত হবে এবং পরবর্তী প্রধান নির্বাচন কবে হবে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের। পাশাপাশি, আগামী দিনে বনগাঁ ব্লকের এই মেগা পদত্যাগের নেপথ্যের আসল সমীকরণ ঠিক কী, তা স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।‌

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.