বনগাঁ পুরসভার দুর্নীতির তদন্ত নিয়ে কী বললেন শান্তনু ঠাকুর ?: দেখুন ভিডিও
deshersamay



বনগাঁ: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভায় শুরু হয়েছে জনকল্যাণ শিবির। তিনদিন শিবির হওয়ার কথা থাকলেও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি দেখে আরও একদিন সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। শেষদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ নীলদর্পণে জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শন আসেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। শিবির ঘুরে দেখেন তিনি। শিবির থেকে সাধারণ মানুষের হাতে গাছের চারা তুলে দেন এবং বয়স্কদের হাতে বার্ধক্য ভাতার ফর্ম তুলে দেন শান্তনু।

পাশাপাশি সেখানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার খোঁজখবর নেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয়ে নিজের মতামত জানান তিনি। এদিন বনগাঁ পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি ও অবৈধ নির্মাণ নিয়ে বলেন , প্রশাসন অবশ্যই পদক্ষেপ নেবেন । যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসন অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন । দেখুন ভিডিও
হকার উচ্ছেদ ইস্যুতে শান্তনু ঠাকুর বলেন, উন্নয়নের স্বার্থে পরিকল্পিত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি মত দেন, হকারদের পুনর্বাসন ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারের আলাদা পরিকল্পনা করা উচিত।
রাজ্য সরকারের জনকল্যাণ শিবির নিয়ে বললেন –
রাজ্য সরকারের জনকল্যাণ শিবির সম্পর্কে তিনি বলেন সম্পর্কে তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন এবং পরিষেবা পাচ্ছেন।

অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের পক্ষ থেকে অতীতে একাধিকবার তৃণমূল সরকারের কাছে মতুয়া গোঁসাইদের ভাতা দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। শান্তনু ঠাকুরও আশ্বস্ত করেছিলেন, বিজেপি সরকার মতুয়া গোঁসাইদের ভাতা দেবে। এই প্রসঙ্গে এদিন শান্তনু ঠাকুর বলেন, “এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের মতুয়া সমাজের যারা পিছিয়ে পড়া মানুষ আছে, তাঁদের দিকে সরকারের সাহায্যের হাত বাড়ানো উচিত।” শান্তনুর কথায়, “আমি বিধায়কদের বলব বিষয়টি সদনে তোলার জন্য।”

সীমান্ত সুরক্ষায় ইতিমধ্যেই কাঁটাতার দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। তারই মাঝে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর জানালেন, ভারতমালার কাজও শুরু হবে। মুর্শিদাবাদ থেকে টাকি পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ের কাজ হবে।
পাশাপাশি, বনগাঁ–বাগদা রেললাইন প্রকল্প নিয়েও আশাবাদী তিনি। শান্তনু ঠাকুরের দাবি, বিষয়টি নিয়ে তাঁর অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং শীঘ্রই কাজ শুরু হতে পারে।

‘ডিম থেরাপি’ প্রসঙ্গে প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে এটি একটি “উপযোগী থেরাপি”। তাঁর কথায়, “সম্মান যাবে, পার্সন হবে, মারও খাবে না।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমানো প্রসঙ্গে শান্তনু বলেছেন, এ বিষয়ে তাঁর বিশেষ কিছু বলার নেই। তাঁর বক্তব্য, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পরিবর্তন হতেই পারে।
যশোর রোড সম্প্রসারণ নিয়ে শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘‘কলকাতা থেকে পেট্রাপোল বন্দরে যাতায়াতে যশোর রোড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করেছেন খুব শীঘ্রই এটা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হবে।”

