বনগাঁ পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর পাপাই রাহা গ্রেফতার : দেখুন ভিডিও
deshersamay


দেশের সময় : বনগাঁ পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর পাপাই রাহাকে গ্রেফতার করল বনগাঁ থানার পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বনগাঁ তথা উত্তর ২৪ পরগনার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপালনগর থানা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করার পর গ্রেফতার করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরেই পাপাই রাহার বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠছিল বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে মাদক পাচার, বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র মজুদ, তোলাবাজি, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো এবং এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করার মতো একাধিক অভিযোগ। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালতে চূড়ান্ত রায় হয়নি। দেখুন ভিডিও
এছাড়াও অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনের সময় তাঁর বিরুদ্ধে ভোট সন্ত্রাস, ভোট লুট এবং বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগও উঠেছিল। বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারের উপর হামলার ঘটনাতেও তাঁর নাম উঠে এসেছিল বলে বিরোধীদের দাবি। একইভাবে খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়ার রাজনৈতিক প্রচারে বাধা দেওয়া এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মারধরের অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে আসে।

পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছিল। সেই তদন্তের অগ্রগতির পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে কোন নির্দিষ্ট মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তদন্তের বর্তমান অবস্থা কী, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

ঘটনার পর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার ও সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন এতদিন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অবশেষে গ্রেফতারের ঘটনায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

পাপাই রাহাকে আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা তাঁর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন অভিযোগ এবং সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন। গ্রেফতারের পর বনগাঁ শহর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তদন্তে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দেশের সময়

