বিল্ডিং তৈরির সময়ে গাছ লাগানোর নিয়ম কেউ মানে না: মুখ্যমন্ত্রী
deshersamay


শিল্প-বাণিজ্যে জোয়ার আনতে গিয়ে পরিবেশকে হেলাফেলা নয়। বরং তা আরও উন্নত করতে তৎপর রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে নিজের হাতে গাছ পুঁতে ‘অরণ্য সপ্তাহ’র সূচনা করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এ শুধু প্রতীকী অনুষ্ঠান নয়। রীতিমতো হাতেকলমে কাজ করে দেখাল বনদপ্তর।

রাজ্য জুড়ে এক কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি শুরু হল এই বনবিতান থেকে। ম্যানগ্রোভ সহ অরণ্য রক্ষা করার বার্তা দেন শুভেন্দু। বনবিতানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।

অরণ্য সপ্তাহের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমাদের রাজ্যে কংক্রিটের জঙ্গল। বিভিন্ন বিল্ডিং প্ল্যান পাশ করার সময়ে নির্দিষ্ট শতাংশ সবুজ রাখার কথা বলা হয়। কিন্তু বিল্ডিং তৈরির সময়ে গাছ লাগানোর নিয়ম কেউ মানে না। তরাই-ডুয়ার্সের অবস্থা দেখে কষ্ট হয়। সব ধ্বংস করেছে, গাছকেও ছাড়েনি।’

আমি জমি থেকে উঠে আসা লোক। আকাশপথ থেকে দেখেছি, জঙ্গল কীভাবে সরে গিয়েছে বলেন মুখ্যমন্ত্রী।
বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা করতে নারকেল গাছ লাগানোর কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন ছাত্র ছাত্রীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী মনোজ ওঁরাওয়ের উদ্যোগে স্কুলপড়ুয়াদের বিতরণ করা হল ১ কোটি ১০ লক্ষ চারাগাছ। বন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচিতে অনুপ্রাণিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, বাংলাও হয়ে উঠুক অরণ্যময়। রাজ্যে বছরভর মোট ৭ লক্ষ ২০ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তার কথা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর পরামর্শ, ‘‘বজ্রপাত থেকে বাঁচতে সবাইকে বলব, নারকেল গাছ লাগান বেশি করে।”
মন্ত্রী মনোজ ওঁরাওয়ের উদ্যোগে স্কুলপড়ুয়াদের বিতরণ করা হল ১ কোটি ১০ লক্ষ চারাগাছ। বন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচিতে অনুপ্রাণিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, বাংলাও হয়ে উঠুক অরণ্যময়।

রাজ্যে বছরভর মোট ৭ লক্ষ ২০ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। আজ থেকে শুরু হল ‘অরণ্য সপ্তাহ’, চলবে ২০ জুলাই পর্যন্ত। এদিন তারই সূচনা করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজের হাতে মাটি খুঁড়ে গাছ পুঁতে দিলেন। পরিবেশ বাঁচাতে অরণ্যের অবদান কতখানি, তা বোঝালেন।
