Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

এনআরসি নিয়ে উদ্বিগ্ন মমতা,পথে নামছে তৃণমূল

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃসোমবার কালীঘাটের বাড়িতে দলের বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্ন্দ্যোপাধ্যায়। সাংসদ, বিধায়ক ও কয়েকজন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নাগরিকপঞ্জির তালিকা নিয়ে বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রতিবাদে ১২ সেপ্টেম্বর কলকাতায় মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। চিড়িয়ামোড় থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মিছিল হবে। এছাড়া ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর সব জেলায় এই কর্মসূচি পালন করা হবে।

শনিবারই অসমে নাগরিকপঞ্জির তালিকা প্রকাশের পর টুইট করে প্রতিবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর রবিবার তিনি দুটি টুইট করেন। টুইট বার্তায় মমতা বলেছেন, ‘‌যত বেশি করে খবর আসছে, দেখে স্তম্ভিত হচ্ছি। তালিকা থেকে ১ লক্ষেরও বেশি গোর্খার নাম বাদ পড়েছে!‌ বস্তুত হাজার হাজার প্রকৃত ভারতীয়দের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সরকারকে অবশ্যই যত্ন নিতে হবে, যাতে প্রকৃত ভারতীয়দের নাম তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। প্রকৃত ভারতীয় ভাই–‌বোনেরা সকলেই যাতে ন্যায়বিচার পান, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে সরকারকে।’‌

এদিনের বৈঠকে নাগরিকপঞ্জি নিয়ে মমতা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। সাংসদদের এ ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। সংসদের অধিবেশন শুরু হলেই এ বিষয় নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ করা হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এনআরসি নিয়ে প্রথম প্রতিবাদ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সাংসদদের এক প্রতিনিধি দল অসমে পাঠান। যদিও তাঁদের বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে অসম তৃণমূল কংগ্রেসকে এ ব্যাপারে আন্দোলনে নামার নির্দেশও দেওয়া হয়।

নেত্রীর নির্দেশ পেয়ে অসমের কর্মীরা আন্দোলন করে চলেছেন। নাগরিকপঞ্জিকে ইস্যু করে লোকসভা নির্বাচনেও তাঁরা লড়াইয়ে নামেন। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার মেয়র ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কয়েকবারই তিনি অসমে যান। তিনি বলেন, ‘‌আপনারা যে আন্দোলন করছেন, তার পাশে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। ভাগাভাগির রাজনীতিতে তৃণমূল নেই। সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে নাগরিকপঞ্জির বিরুদ্ধে আপনাদের নামতে হবে।’‌ রাজ্যসভার সদস্য ডাঃ শান্তনু সেনও অসমে গিয়েছিলেন।

অসম নিয়ে শনিবার রাতেই মমতা টুইটে লিখেছেন, এনআরসি–‌র বিপর্যয় সেই সব লোকের মুখোশ খুলে দেবে, যাঁরা এর থেকে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চাইছিলেন। দেশের কাছে তাঁদের অনেক কিছু কৈফিয়ত দিতে হবে। শুধু বাংলা নয়, বিহার–‌উড়িষ্যার লোকেদেরও নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।’‌ নাগরিকপঞ্জির শুরুতে প্রথম প্রতিবাদ করেন মমতা।

কলকাতায় তাঁর নির্দেশে তৃণমূলের কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে মমতা বলেন, ‘‌বিজেপি দেশকে ভাগ করতে চাইছে। প্রকৃত ভারতীয়দের বাদ দেওয়া হচ্ছে। বলছে, জন্মের শংসাপত্র জোগাড় করতে হবে। যা একেবারেই অসম্ভব, অবাস্তব।’‌ তিনি বলেছেন, ‘‌বাংলায় নাগরিকপঞ্জি করার চেষ্টা হলে গোটা বাংলা রুখে দাঁড়াবে।’‌ সংসদে কয়েকবারই তৃণমূলের সাংসদরা নাগরিকপঞ্জি নিয়ে প্রতিবাদ করেন। এমনকি সাংসদের বাইরেও গান্ধীমূর্তির নিচে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বারবারই মমতা বলেন, ‘‌কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা না পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।’‌‌

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন