বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে মেয়ের গৃহশিক্ষিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেফতার আইনজীবী বাবা
deshersamay

টিউশন পড়াতে গিয়ে এমন কাণ্ড ঘটতে পারে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি তরুণী শিক্ষিকা। উত্তর ২৪ পরগনায় এক তরুণী শিক্ষিকাকে কুপ্রস্তাব দেওয়া এবং অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠল এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার না-করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার আইনজীবীর বাড়ির সামনে জড়ো হন তাঁরা। এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বনগাঁ থানার পুলিশ। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানার বিভূতিপল্লি এলাকায়।

অভিযোগকারী ওই শিক্ষিকার দাবি, প্রতিদিনের মতো তিনি ওই বাড়িতে ছাত্রীকে পড়াতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ে বাড়িতে ছাত্রীর মা-বাবা কেউ ছিলেন না। পড়ানো শেষ হওয়ার পর তিনি ছাত্রীর মাকে ফোন করেন। ছাত্রীর মা তাঁকে অপেক্ষা করতে বলেন এবং জানান, তিনি কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়িতে ফিরবেন। এর মধ্যেই ওই ছাত্রীর বাবা স্বপন শিকদার বাড়িতে ফেরেন। শিক্ষিকা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে তাঁর সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলতে চান অভিযুক্ত। সেই সময়ে ছাত্রীটি ঘর থেকে বেরিয়ে পাশের বাড়িতে গেলে অভিযুক্ত আইনজীবী ওই শিক্ষিকার সালোয়ারের ভিতরে হাত দেন এবং কুপ্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ।

ঘটনার পর বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান ওই শিক্ষিকা। পরিবারের পক্ষ থেকে রাতেই বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

অভিযোগের পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এর পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্তের বাড়ির সামনে শিক্ষিকার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান।

খবর পেয়ে বনগাঁ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি অভিযুক্ত আইনজীবীকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

