এবার পড়ুয়াদের জন্য ‘এক দেশ, এক পড়ুয়া পরিচয়পত্র’! ১০ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যে শুরু প্রক্রিয়া
deshersamay

রাজ্যের স্কুল পড়ুয়াদের জন্য এক দেশ, এক পরিচয়পত্র বা ‘আপার আইডি’ (ওয়ান নেশন ওয়ান স্টুডেন্ট আইডি) তৈরি ও নথিভুক্তির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে নির্দেশিকা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশন। রাজ্য জুড়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের (ডিইও) বিশেষ কর্মশালা আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যজুড়ে এই মেগা কর্মসূচিকে সুচারুভাবে বাস্তবায়িত করতে জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের (DEO) বিশেষ কর্মশালা আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, অভিভাবকদের লিখিত সম্মতি ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীর পরিচয়পত্র বানানো যাবে না। সেই লক্ষ্যে জেলা শিক্ষাধিকারিকদের প্রয়োজন অনুযায়ী ‘পেরেন্টাল কনসেন্ট ফর্ম’ (অভিভাবকের সম্মতিপত্র) ছাপিয়ে প্রতিটি স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচি পরিচালনার জন্য সম্প্রতি আয়োজিত দুই দিনের একটি কর্মশালায় প্রতিটি জেলা থেকে একজন নোডাল শিক্ষক এবং একজন এমআইএস (MIS) কো-অর্ডিনেটরকে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানো এবং সার্বিক কাজ বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব থাকবে এই যৌথ নেতৃত্বের ওপরেই। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক থেকে চূড়ান্ত এসওপি (SOP) বা নির্দেশিকা অনুমোদিত হওয়া মাত্রই তা অবিলম্বে প্রতিটি জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।

কর্মসূচির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে প্রতিটি জেলার অন্তত দুটি স্কুল এবং দুটি ভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের (সর্বনিম্ন ৬০ জন) নিয়ে পরীক্ষামূলক এনরোলমেন্ট ক্যাম্প আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। আগামিকাল, সোমবার থেকেই সার্কেল ভিত্তিক ক্যাম্পের কাজ চালু হয়ে যাবে। যেখানে সার্কেলের নির্বাচিত দুটি স্কুলে নোডাল শিক্ষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং দৈনিক অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থীর নাম নথিভুক্তির লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যের সমস্ত স্কুলে এই প্রক্রিয়া একযোগে চালুর নির্দেশ রয়েছে। কাজের স্বচ্ছতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিদিনের অগ্রগতির তথ্য অনলাইনে পর্যবেক্ষণ করবেন জেলা শিক্ষা আধিকারিকেরা। স্কুলের তৈরি করা প্রাথমিক তালিকা সার্কেল স্তর হয়ে জেলা শিক্ষা দফতরের টেবিলে পৌঁছাবে।



