প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

সীমান্ত পেরিয়ে দেশে ফিরলেন কফিনবন্দি সাত বাংলাদেশি

deshersamay

Share article:

ধর্মতলায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মৃত বাংলাদেশের নাগরিকদের দেহ পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে দেশে ফিরল। কেউ এসেছিলেন চিকিৎসার জন্য, কেউ এসেছিলেন ঘুরতে। ১৯ অগস্ট মির্জ়া গালিব স্ট্রিটের হোটেলে আগুনের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। তার মধ্যে সাত জনই বাংলাদেশের নাগরিক।

ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার হাইকমিশনের সমস্ত নিয়ম মেনে বাংলাদেশে ফেরানো হলো কফিনবন্দি দেহগুলি। পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে পাঁচটি ও ঘোজাডাঙা দিয়ে দু’টি দেহ পাঠানো হলো বাংলাদেশে। ওপারে বেনাপোল ও ভোমরা স্থলবন্দরে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে দেহগুলি।

এই তালিকায় ছিলেন শেখ শিরিন সাহাদ ও আলিমুজ্জামান-ও। ভারতীয় দূতাবাসের ছাড়পত্র পাওয়ার পর শেখ শিরিন সাহাদ ও আলিমুজ্জামানের মরদেহ ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিয়ে গেল তাঁর পরিবার।

শনিবার অ্যাম্বুল্যান্সে করে একে একে মৃতদেহগুলি পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছয়। প্রথমে দু’টি মৃতদেহ নিয়ে একটি অ্যাম্বুল্যান্স পেট্রাপোলে পৌঁছয়। সেখানে ছিল কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশিস দত্ত ও তাঁর চার বছরের ছেলে স্বর্ণাশিসের দেহ। তার পরে আসে দেবাশিসের স্ত্রী আফসানা সরমিন ও মহম্মদ আক্রম নামে আরও এক বাংলাদেশের নাগরিকের দেহ। পরে অন্য একটি অ্যাম্বুল্যান্সে আনা হয় বাবু আহম্মদের মৃতদেহ।

পেট্রাপোল সীমান্তে মৃতদেহগুলি পৌঁছনোর পরে প্রয়োজনীয় আইনি কাগজপত্রের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজ শুরু হয়। সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বেনাপোল হয়ে মৃতদেহগুলি বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। এর পরে সেগুলি পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

অন্য দিকে, বসিরহাট ঘোজাডাঙা সীমান্ত দিয়ে পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশি পর্যটক শেখ শিরিন সাহাদ ও আলিমুজ্জামানের দেহ। বাংলাদেশের সাতক্ষীরার বাসিন্দা ছিলেন তাঁরা। বাংলাদেশের সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে পরিবারের হাতে হস্তান্তরিত করা হবেদেহ দু’টি।

Tags: জেলা

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন