প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

নয় দফা দাবিতে বনগাঁর পুরপ্রধানকে ডেপুটেশন বিজেপির

deshersamay

Share article:

বনগাঁ পুরসভার পরিচালন ব্যবস্থা এবং বিগত আমলের একাধিক সরকারি প্রকল্পে বড়সড় আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তুলে সরব হলো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। পুরসভার সম্পত্তি দখলমুক্ত করা, আবাসন ও জল প্রকল্পের অর্থ বণ্টনে স্বচ্ছতা আনা এবং বেআইনি ইজারা বাতিলের মতো ৯টি মূল দাবি নিয়ে বুধবার বনগাঁ পুরপ্রধানের হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেন বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্ব। এই ঘটনার পর থেকেই সীমান্ত শহরের রাজনৈতিক অলিন্দে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে।

বুধবার দুপুরে বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল এদিন পুরসভায় হাজির হয়ে অভিযোগ তোলেন যে, আগের পুর-বোর্ডের মেয়াদে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়মকানুন তুচ্ছ করে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগের ঘিরে বিশেষভাবে রয়েছে পুরসভার মালিকানাধীন ‘পুলসাইড ইন’ রেস্তোরাঁটি। বিজেপির দাবি, সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এই সম্পত্তিটি ইজারা দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের আবাস যোজনা প্রকল্পের অর্থ বণ্টনে ব্যাপক কারচুপি ও দুর্নীতির ছায়া রয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

শুধু তাই নয়, শহরের ১১৪ কোটি টাকার মেগা জল প্রকল্পের অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রটিকেও আতশকাচের নিচে রাখার দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। তাদের দাবি, এই বিপুল পরিমাণ বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত প্রয়োজন।

বনগাঁ নিউ মার্কেট সংলগ্ন এলাকার বেশ কিছু দোকান দীর্ঘদিন ধরে নিত্যগোপাল দাস নামের এক ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অবিলম্বে ওই দোকানগুলি পুরসভার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এনে স্বচ্ছ নীতি মেনে ভাড়া দেওয়ার দাবি তোলা হয়।

অন্যদিকে, পুরসভার অন্যতম মূল্যবান সম্পত্তি ‘সাহেববাড়ির মাঠ’ (যেখানে প্রতি সপ্তাহে সুতিবস্ত্রের হাট বসে)—সেখানেও বাপন সাহা নামে এক ব্যক্তির প্রভাব ও দখলের বিষয়ে সরব হয় বিজেপি। দলটির দাবি, খোদ বর্তমান পুরপ্রধানও ওই এলাকায় ঢুকতে গিয়ে বাধা পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে পুরসভার সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তিকে অসাধু ব্যক্তিদের কব্জা থেকে মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে তারা।

বিজেপির এই ৯ দফা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান পুরপ্রধান দিলীপ মজুমদার জানান, “বিজেপি নেতৃত্ব আমার কাছে ৯টি দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। রাজ্য সরকার যেভাবে পুরসভা পরিচালনার জন্য নির্দেশিকা দেবে, আমি সেই নীতি ও নির্দেশ মেনেই দায়িত্ব পালন করব। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

Tags: জেলা

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন