প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

সুভাষের নামেই ‘সেবা’ পাবেন আমজনতা, বিধানসভায় বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

deshersamay

Share article:

নেতাজি বিতর্কের অবসান ঘটালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! বুধে বিধানসভায় তিনি বড় ঘোষণা করে দিলেন। সাধারণ মানুষের পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও নতুন উদ্যোগের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের দলীয় নেতৃত্বের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, দলের প্রত্যেক বিধায়ককে নিজের এলাকায় একটি করে সেবাকেন্দ্র খুলতে হবে। সেখানে যাঁরা দলকে ভোট দিয়েছেন এবং যাঁরা দেননি—দুই পক্ষের মানুষই পরিষেবা পাবেন।

এদিন তিনি বলেন, ‘প্রতিটি বিধায়ক নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে একটি সেবা কেন্দ্র চালু করবেন, যেখানে কেবলমাত্র তাঁর বিধানসভা এলাকার জনগণের সঙ্গে বিধায়কের সম্পর্ক থাকবে। সেখানে দলমত-বর্ণ- ধর্ম নির্বিশেষে, যাঁরা ভোট দিয়েছেন, যাঁরা দেননি তাঁরাও পরিষেবা পাবেন।’

সঙ্গেই তিনি বলেন, ‘দুটি শর্ত বলুন প্রস্তাব বলুন, আছে আমার।’ কী সেই দুই শর্ত? নিজের বক্তব্যেই মুখ্যমন্ত্রী জানান,  প্রথমত, সেবাকেন্দ্রের নাম রাখতে হবে ‘নেতাজি সুভাষ সেবাকেন্দ্র’। দ্বিতীয়ত, রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে দেওয়া নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একটি ছবি ওই সেবাকেন্দ্রে রাখতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই দুই শর্ত পূরণ করে সেবাকেন্দ্র চালু করা হলে সরকার থেকে ৩০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে বিধায়কদের স্থানীয় স্তরে মানুষের সঙ্গে আরও সরাসরি যুক্ত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়াতেই এই উদ্যোগ বলে বিধানসভায় দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে প্রাক্তন জনপ্রতিনিধিদের জন্য চিকিৎসা সহায়তা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাঁদের সামাজিক ও আর্থিক সুরক্ষার বিষয়টিও সামনে আনলেন তিনি।

একইসঙ্গে, প্রাক্তন বিধায়কদের আর্থিক সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দিতে বিধানসভায় একাধিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রাক্তন বিধায়কদের চিকিৎসা খরচের জন্য মাসিক সহায়তা ৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকা করার কথা জানালেন তিনি। একই সঙ্গে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় ‘নেতাজি সুভাষ সেবাকেন্দ্র’ খোলার উদ্যোগের কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিধায়কদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হলেও প্রাক্তন বিধায়কদের জন্য সেভাবে আর্থিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়নি। তাঁর দাবি, আগের সরকারগুলি হয়তো বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি। কিন্তু বহু প্রাক্তন বিধায়ক সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের অবসরের পরেও সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপনের সুযোগ থাকা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন