চাঁদপাড়ায় চললো বুলডজার , বনগাঁয় প্রস্তুতি তুঙ্গে,হকারদের বাঁচিয়ে রেলেরও আয় বাড়ান, মত শ্রমিকদের: দেখুন ভিডিও
deshersamay



রেলের জমিতে বেআইনি দখলদারি সরাতে কড়া পদক্ষেপ করছে প্রশাসন। দমদম, শিয়ালদা, হাওড়ার পরে শনিবার গভীর রাতে চাঁদপাড়া স্টেশন চত্বরে হকার উচ্ছেদ অভিযান চালায় রেল। বুলডোজ়ার দিয়ে একাধিক দোকান ভেঙে দেওয়া হয়।

একদিকে যেমন হকারদের রুটিরুজির প্রশ্ন উঠছে, তেমনই বছরের পর বছর ধরে রেলের জমি অবৈধভাবে দখল করে রাখার ফলে যাত্রীদের যে নিত্যদিনের চরম ভোগান্তি হচ্ছিল, সেই বাস্তব চিত্রটিও জোরালো ভাবে সামনে এসেছে এই ঘটনায়। দেখুন ভিডিও

স্টেশন চত্বর ও প্ল্যাটফর্মের আশপাশে যত্রতত্র বেআইনি দোকান গড়ে ওঠায় যাত্রীদের হাঁটাচলার জায়গা ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছিল। ব্যস্ত সময়ে স্টেশনে যাতায়াত করতে গিয়ে বা ট্রেনে উঠতে গিয়ে সাধারণ যাত্রীরা চরম অসুবিধার সম্মুখীন হতেন। দীর্ঘদিনের এই অবৈধ দখলদারি মুক্ত করে যাত্রী–স্বাচ্ছন্দ্য ফেরানো এবং স্টেশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই রেলের এই অভিযান বলে প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে।
উচ্ছেদ প্রসঙ্গে হকার এবং বাম নেতাদের যুক্তি, পুনর্বাসন ছাড়া এই উচ্ছেদ অমানবিক এবং বেআইনি।

এই পরিস্থিতিতে হকারদের আইনি স্বীকৃতি ও বিকল্প পুনর্বাসনের দাবিতে সম্প্রতি বনগাঁ জিআরপি ও রেল কর্তৃপক্ষের কাছে পুনর্বাসনের দাবিতে স্মারকলিপিও জমা দিয়েছেন বহু হকার ।

সংগঠনের প্রস্তাব, হকারদের নির্দিষ্ট জায়গা ও পরিচয়পত্র দিয়ে বৈধ ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হোক। এর বিনিময়ে হকাররা রেলকে মাসিক ১,০০০ থেকে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিতেও সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এতে রেলের নিয়মিত রাজস্ব বাড়বে এবং হকাররাও আইনি নিরাপত্তা পাবেন।
উন্নয়ন ও যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের স্বার্থে যেমন দখলমুক্ত পরিষ্কার স্টেশন চত্বর অত্যন্ত জরুরি, তেমনই গরিব মানুষের জীবনজীবিকার সুরক্ষার জন্য পুনর্বাসন নীতিও সমানভাবে আবশ্যক বলে মনে করছেন নিত্যযাত্রীদের অনেকে।

হকারদের বাঁচিয়ে রেলেরও আয় বাড়ান, মত শ্রমিকদের । প্রশাসন ও রেল কর্তৃপক্ষ এই দুইয়ের মধ্যে কী ভাবে আইনি ভারসাম্য বজায় রাখে, আপাতত সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট সব মহল।
