‘কারও তাঁবেদারি নয়, আপনাদের পূর্ণ স্বাধীনতা দিলাম’, পুলিশকে অভয়বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর ,৭ দিনে পশ্চিমবঙ্গকে কতটা বদলাতে পারলেন শুভেন্দু?

0
4

পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক রাশ হাতে নেওয়ার পর থেকেই রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশ প্রশাসনের খোলনলচে বদলে ফেলতে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী। দায়িত্ব নিয়েই তিনি পুলিশের আধুনিকীকরণ ও সংস্কারে একাধিক বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সেই ধারা বজায় রেখে শনিবার ডায়মন্ড হারবারে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।

আজকের বৈঠক থেকেই নিচুতলার পুলিশ কর্মীদের উদ্দেশে অত্যন্ত কড়া ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। প্রশাসনিক কর্তাদের অভয় দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এখন থেকে আর কোনও রাজনৈতিক দল বা নেতার তাঁবেদারি করার প্রয়োজন নেই, আইন অনুযায়ী পুলিশকে নিজের কাজ করতে হবে।

শনিবারের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক থেকেই মুখ্যমন্ত্রী
‘পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ড’ (Police Welfare Board)
সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দেওয়ার এক বড়সড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। এর পাশাপাশি আগামী দিনে পুলিশকে ঠিক কোন নীতি মেনে কাজ করতে হবে, তার একটি স্পষ্ট ব্লুপ্রিন্ট বা রূপরেখা তৈরি করে দিয়েছেন তিনি।

পূর্বতন তৃণমূল সরকার এবং ডায়মন্ড হারবারের বিদায়ী সাংসদকে তীব্র ভাষায় নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশে বলেন, “বিগত বছরগুলিতে ডায়মন্ড হারবার এলাকায় প্রচুর অন্যায় ও বেআইনি কাজ হয়েছে। আর রাজনৈতিক চাপে পড়ে আপনাদেরই সেই সব কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে। এখানকার সাংসদ নিজে ফোন করে করে পুলিশকে দিয়ে দলদাসের মতো কাজ করাতেন, তার সব প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। কিন্তু সেই দিন এবার শেষ। এখন থেকে আপনাদের আমি ‘ফ্রি-হ্যান্ড’ বা পূর্ণ স্বাধীনতা দিলাম। কোনও তাঁবেদারি না করে নিরপেক্ষভাবে কাজ করুন।”

এদিনের বৈঠক থেকে পুলিশ প্রশাসনের কাজের গতি বাড়াতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মুখ্যমন্ত্রী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছেন:

নারী সুরক্ষা ও ই-অফিস:
মহিলাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে রাজ্যের প্রতিটি থানায় বাধ্যতামূলকভাবে ‘মহিলা ডেস্ক’ চালু করতে হবে। এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ যাতে ঘরে বসেই দ্রুত আইনি সাহায্য পান, তার জন্য ‘ই-অফিস’ ব্যবস্থা চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে অনলাইনেই সমস্ত সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।

বিক্ষোভ ও অবস্থানের নতুন নিয়ম:
রাজ্যে কথায় কথায় রাস্তা অবরোধ বা যখন-তখন যেখানে-সেখানে বিক্ষোভ প্রদর্শন আর বরদাস্ত করা হবে না। এবার থেকে যে কোনও ধরনের প্রতিবাদ বা অবস্থান করতে গেলে পুলিশের কাছ থেকে নিয়ম মেনে আগাম লিখিত অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

সরকারি সম্পত্তি নষ্টে কড়া আইন:
অশান্তি পাকাতে গিয়ে যারা সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করবে, তাদের বিরুদ্ধে এবার নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানান, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে অভিযুক্তদের বাড়ির আসবাবপত্র থেকে শুরু করে সমস্ত জিনিসপত্র পুলিশ বের করে নিয়ে আসবে। পরে সেগুলি বিক্রি করে সরকারি সম্পত্তি মেরামতের খরচ উসুল করবে সরকার।

পুলিশের গাড়ি ও আত্মশুদ্ধি:
খোদ পুলিশের গাড়িগুলির ‘ফিটনেস’ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বহু পুলিশ গাড়ির দূষণের শংসাপত্র নেই, চালকের লাইসেন্স নেই। সাধারণ মানুষকে আইন শেখানোর আগে পুলিশকে নিজেদের শোধরানোর দরকার। নিজেরা ঠিক হলে তবেই সমাজ ঠিক হবে।

পুরসভার নজরদারি ও বেআইনি নির্মাণ:
যে সমস্ত বহুতল বা বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা রয়েছে, পুরসভাকে দিয়ে সেগুলি দ্রুত পরীক্ষা করাতে হবে। শহরের বেআইনি নির্মাণ রুখতে পুলিশ ও পুরসভাকে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সরকারি দুর্নীতির তদন্ত:
একশো দিনের কাজ-সহ বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প থেকে যারা বেআইনিভাবে বা অনলাইন জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা তুলেছে, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রশাসনিক এই কড়া বার্তার পাশাপাশি এদিন রাজ্যের বেলডাঙা ও আসানসোল-সহ বেশ কিছু স্পর্শকাতর এলাকার পুলিশ প্রশাসনকে অত্যন্ত সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কর্তব্য পালনে কোনও রকম শিথিলতা দেখা গেলে বরদাস্ত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

৭ দিনে পশ্চিমবঙ্গকে কতটা বদলাতে পারলেন শুভেন্দু?

মাসকয়েক আগেও যিনি বিরোধী দলনেতার চেয়ারে বসতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। প্রাক্তনের পাড়ায় গিয়ে বিজয় মিছিলও করে এসেছেন তিনি। তবে রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর সামনে রয়েছে অনেক চ্যালেঞ্জ। চাকরি, নারী সুরক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষার খোলনলচে বদলে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েই ক্ষমতায় এসেছেন তিনি। হাতে পাঁচ বছর সময় থাকলেও, সাতদিনেই কি শুভেন্দু অধিকারী বার্তা দিলেন ‘মর্নিং শো’স দ্যা ডে’?

গত ৯ মে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও দেশের একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সামনে শপথ গ্রহণ করার পর সাতদিন কেটে গিয়েছে। রাজ্যের মসনদে বসেই কী কী করলেন তিনি-

১. নবান্ন থেকে রাইটার্স
প্রশাসনিক কাজ শুরুর আগেই প্রশাসনিক দফতর বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি সরকার। ব্রিটিশ আমলে তৈরি ঐতিহ্যবাহী রাইটার্স বিল্ডিং-এ রাজপাট সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। সাজিয়ে ফেলা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ঘর। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ছেড়ে যাওয়া রাইটার্স নতুন আলোয় সেজে উঠেছে। চলছে সংস্কারের কাজ।

২. সরকারি চাকরির উর্ধ্বসীমা ৫ বছরের

মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সরকারি চাকরির উর্ধ্বসীমা ৫ বছর বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বহু বেকার যুবক-যুবতী চাকরি পাবে।

৩. ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্তে জমি হস্তান্তর

তৃণমূল আমলে বারবার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ সীমান্তে জমি না দেওয়ায় কাঁটাতার দেওয়া যাচ্ছে না। এমনকী কেন্দ্র টাকা মিটিয়ে দেওয়ার পরও জমি হস্তান্তর হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। সেই জমি ৪৫ দিনের মধ্যে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুভেন্দু-সরকার।

৪. অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু করার সিদ্ধান্ত

শুভেন্দুর প্রথম বৈঠকেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়ছে, ১ জুন থেকে চালু হবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩ হাজার টাকা। এছাড়া ১ জুন থেকেই সরকারি মাসে বিনা টিকিটে যাত্রা করতে পারবেন মহিলারা।

৫. অবসরপ্রাপ্তদের চাকরি বাতিল

চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও একাধিক আধিকারিক দিনের পর দিন চাকরিতে বহাল ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শুভেন্দু-সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তাঁদের চাকরি জীবন এবার শেষ হচ্ছে। সেরকম অন্তত ৫০০ জনের চাকরি যায়।

৬. অযোগ্যদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ

স্কুল সার্ভিস কমিশনের ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির দায়ে চাকরি হারানো ‘অযোগ্য’ প্রার্থীদের বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। পরে সেই রায় বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যের পালাবদলের পর নতুন সরকার কাজ শুরু করেই সেই নির্দেশ কার্যকর করেছে। অযোগ্যদের কাছ থেকে বেতন ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে শিক্ষা দফতর।

৭. স্কুলে স্কুলে বন্দে মাতরম

সব সরকারি স্কুলের প্রার্থনা সঙ্গীতে ‘বন্দে মাতরম্’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। বিকাশ ভবনের তরফ থেকে আগেই স্কুলগুলিকে হোয়াট্‌সঅ্যাপ মারফত নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল। পরে শুভেন্দু নিজে সে কথা ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

৮. প্রকাশ্যে পশুহত্যা বন্ধ

প্রকাশ্যে পশু হত্যা বন্ধ করতে উদ্যোগ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গরু, মহিষ, বলদ ও বাছুর হত্যার ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত মানতে হবে। থাকতে হবে নির্দিষ্ট সার্টিফিকেট, কসাইখানার বাইরে হত্যা করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৯. ধর্মীয় স্থানে শব্দসীমা

ধর্মীয় স্থানগুলিতে শব্দের সীমা বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। নির্ধারিত মাত্রার বাইরে শব্দ নয়। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এই সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে এ ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

১০. তিলজলায় বুলডোজার

অগ্নিকাণ্ড আগেও একাধিক ঘটেছে শহরে। তবে অগ্নিকাণ্ডের জেরে বেআইনি নির্মাণের প্রশ্ন সামনে আসতেই যেভাবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বুলডোজার চালানো হয়েছে, তা নজিরবিহীন। যে কারখানায় আগুন লেগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেখানে অগ্নিনির্বাপণের কোনও ব্যবস্থা ছিল না বলে অভিযোগ ওঠে।

১১. ‘আরজি কর ফাইলস’

ফাইল খোলা হবে, এটাই ছিল বিজেপির প্রতিশ্রুতি। সরকারে এসেই বড় পদক্ষেপ। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সপ্তম দিনেই আরজি কর কাণ্ডের সঙ্গে জুড়ে যাওয়া তিন আইপিএসকে সাসপেন্ড করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্তাকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে।

১২. জেলে অভিযান

শুভেন্দুর নির্দেশে জেলে জেলে অভিযান চলেছে। উদ্ধার হয়েছে একগুচ্ছ মোবাইল। জেলের মধ্যে থেকেই অপরাধ চক্র চলছিল? এই অভিযোগে প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার ও চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

১৪. স্কুল-কলেজের পরিচালন সমিতি আর নেই

স্কুল ও কলেজগুলিত পরিচালন সমিতির নামে তৃণমূলের ঘাঁটি তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সাতদিনের মধ্যে সেই সব পরিচালন সমিতি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

১৫. টোলের ঝাঁপ বন্ধ

অনুব্রত মণ্ডলদের জমানায় শিরোনামে উঠে এসেছিল টোলের রমরমা। সরকারি টোল প্লাজা নয়, কার্যত পাড়ায় পাড়ায় টোলের নামে নেওয়া হত টাকা। শুভেন্দু শপথ নেওয়ার দিন চারেকের মধ্যেই সেই সব টোলের ঝাঁপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই টোলগুলি বেআইনি।

১৬. আলু-চাষিদের মুখে হাসি

নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে ছিলেন বিপর্যস্ত আলু চাষিরা। পুরনো সরকার ভিনরাজ্যে রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় বড় বিপাকে পড়তে হয়েছিল কৃষকদের। শুভেন্দু ক্ষমতায় এসেই সেই রফতানি চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

১৭. অবশেষে চিংড়িঘাটায় জুড়ছে মেট্রো

শুধু ৩৬৬ মিটার যুক্ত করার কাজ বন্ধ থাকায় একটা আস্ত মেট্রো রুট চালু করা যাচ্ছিল না। মমতা-সরকারের আমলে এই নিয়ে রেলের সঙ্গে অনেক সংঘাতও হয়েছে। মামলা-মোকদ্দমাও হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী চেয়ারে বসার পরই মিলেছে।

১৮. বাড়ি থেকেই কলেজে ভর্তি

কলেজে কলেজে ভর্তি করার জন্য টাকা নেওয়া হত! বছরের পর বছর এমন সব অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই প্রথায় এবার ফুলস্টপ! শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দিয়েছেন, এবার ভর্তির জন্য আর কলেজে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রীয় ভাবে পোর্টাল চালু করছে উচ্চশিক্ষা দফতর। সেখান থেকেই অনলাইনে হবে ভর্তি প্রক্রিয়া।

১৯. হাসপাতালে বেড সংক্রান্ত নির্দেশ

স্বাস্থ্য দফতরের খোলনলচে বদলাতেও উদ্যোগী হয়েছে শুভেন্দু-সরকার। শুক্রবার নিজে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নির্দেশ দিয়েছেন, বেড নেই বলে রোগী ফেরানো যাবে না। অন্য কোনও সরকারি বা কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে। সব বেসরকারি হাসপাতালকেও একছাতার তলায় আনার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

২০. হেলমেট-অভিযান

নিয়ম ছিল আগেই। আইনও ছিল। তবে এবার সেটা সর্বত্র কড়া হাতে কার্যকর করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শহর জুড়ে সেই নির্দেশ কার্যকর করতে তৎপর হয়েছে পুলিশ। ধকপাকড় বেড়েছে গত কয়েকদিন ধরেই।

Previous articleবনগাঁয় নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতিতে রাজনৈতিক দাদাগিরির দিন শেষ, স্পষ্ট বার্তা খাদ্যমন্ত্রীর : দেখুন ভিডিও

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here