Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

রেশনে কার্ডে এবার থেকে আটা দেওয়া বন্ধ! বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে কারণও ব্যাখ্যা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীর

deshersamay

Share article:

পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক রদবদলের পর এবার জনমানসে সবথেকে বেশি প্রভাব ফেলা খাদ্য ও সরবরাহ দফতরে শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া শুরু করলেন নতুন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া (Ashok Kirtania)।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে খাদ্য ও সমবায় দফতরের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন। বুধবার বিধানসভায় বিধায়ক হিসেবে শপথ গ্রহণ করার পর তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, রেশন ব্যবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির যে শিকড় ছড়িয়ে রয়েছে, তা তিনি উপড়ে ফেলতে বদ্ধপরিকর। সাধারণ মানুষের পাত থেকে নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী সরিয়ে উন্নত মানের গম ও চাল নিশ্চিত করাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

এদিন খাদ্যমন্ত্রী জানান, রেশন দোকান থেকে এখন থেকে আর আটা সরবরাহ করা হবে না। পরিবর্তে উপভোক্তারা পাবেন উন্নত মানের গম। মন্ত্রীর বক্তব্য, বর্তমানে সরকারি গুদামে যেটুকু আটা মজুত আছে, সেটুকুই বিলি করা হবে; এর বাইরে নতুন করে আর কোনও আটা সংগ্রহ করবে না দফতর। মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নেওয়া হবে না বলেই এই কড়া পদক্ষেপ।

অশোক কীর্তনিয়া স্পষ্ট ভাষায় সরকারি আধিকারিক ও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, “খাদ্য দফতরে এক টাকারও দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। যদি কেউ মনে করেন আমাকে টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন, তবে তিনি জীবনের সবথেকে বড় ভুল করবেন।” তিনি আরও যোগ করেন যে, জুন মাস থেকে যদি কোনও রেশন দোকানে নিম্নমানের চাল দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে সরাসরি সেই দোকানের লাইসেন্স বাতিল করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।

দুর্নীতির পাশাপাশি সরকারি সুযোগ-সুবিধার অপব্যবহার রুখতেও বিশেষ পদক্ষেপ নিতে চলেছেন নতুন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি পরিচয়পত্র যাচাইয়ের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। মন্ত্রীর কথায়, যাঁদের কাছে ভারতের বৈধ নাগরিকত্বের প্রমাণ থাকবে না, তাঁরা কোনও ভাবেই সরকারি রেশন বা অন্য কোনও সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। মূলত ভুয়ো উপভোক্তা কার্ড বাতিলের লক্ষ্যেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পূর্বতন সরকারের আমলে খাদ্য দফতরে যে আর্থিক দুর্নীতির পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ উঠেছিল, সেই ফাইলও ফের খুলতে চলেছেন অশোক কীর্তনিয়া। তিনি জানিয়েছেন, আগের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগ রয়েছে, সেগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হবে এবং দোষী কাউকে রেয়াত করা হবে না। দুর্নীতির এই বিশাল চক্র ভাঙতে তিনি আধিকারিকদের মাত্র এক সপ্তাহ সময় দিয়েছেন। প্রশাসনিক মহলের ধারণা, খাদ্যমন্ত্রীর এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরাতে এবং রেশন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন