TMC Candidate: বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির: দেখুন ভিডিও
deshersamay


ঋতুপর্ণা আঢ্যর বাবা শঙ্কর আঢ্যর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন বিজেপি প্রার্থী। স্বপন বলেন, “শঙ্কর আঢ্য যখন বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন তিনি ৫৩৮ টি সরকারি ঘর দেখিয়ে ১৯ কোটি টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে নিয়েছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে বনগাঁ থানার সামনে সরকারি পুকুর ভরাট করে নির্মাণ করেছেন। সেখানে ৯৯৯ বছরের জন্য ৫ হাজার টাকা মাসিক ভাড়া হিসেবে লিজ দিয়েছেন।” দেখুন ভিডিও

দেশের সময় :বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তুললেন বিজেপি প্রার্থী। অভিযোগ তুললেন প্রার্থীর বাবার বিরুদ্ধেও। সোমবার বিকেলে নিজের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে অভিযোগ জানান বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদার। তবে তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্যর বাবা তথা তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে এই অভিযোগ তোলা হয়েছে।

সাংবাদিক বৈঠকে স্বপন মজুমদার বলেন, “বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য এবং তাঁর পরিবার জেনারেল কাস্টের। ক্ষমতা এবং টাকার জোরে একদিনের মধ্যে এসসি কার্ড করেছে। তথ্য জানার অধিকারে আবেদন করে বিষয়টি জানতে পেরেছি।” স্বপন আরও দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হয়েছে। আগামী ৯ এপ্রিল তাঁর হিয়ারিং রয়েছে। সেই মামলায় তিনি পার্টি হবেন বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনের কাছেও অভিযোগ জানাবেন তিনি। ঋতুপর্ণাকে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না দেওয়া হয়, সেই দাবি তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী।

পাশাপাশি ঋতুপর্ণা আঢ্যর বাবা শঙ্কর আঢ্যর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন তিনি। স্বপন বলেন, “শঙ্কর আঢ্য যখন বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন তিনি ৫৩৮ টি সরকারি ঘর দেখিয়ে ১৯ কোটি টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে নিয়েছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে বনগাঁ থানার সামনে সরকারি পুকুর ভরাট করে নির্মাণ করেছেন। সেখানে ৯৯৯ বছরের জন্য ৫ হাজার টাকা মাসিক ভাড়া হিসেবে লিজ দিয়েছেন। নিজের ক্লাবের উপরে ঘর নির্মাণ করে পুরসভা থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা করে ভাড়া নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ তোলেন শঙ্করের বিরুদ্ধে। পৌর এলাকায় পানীয় জলের লাইনের নিম্নমানের সামগ্রি ব্যবহার করেছেন বলেও অভিযোগ বিজেপির।

স্বপনের তোলা অভিযোগের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখছেন শঙ্কর আঢ্য। শঙ্কর বলেন, “স্বপন বিধায়ক ছিলেন কিন্তু আইনকানুন কিছুই জানেন না। যে অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হয়েছে সেটা পৌরসভার অ্যাকাউন্ট। নিয়ম অনুযায়ী সেখানে চেয়ারম্যানের নাম লেখা থাকে। যে টাকার কথা তিনি বলছেন সেটা এফডি করা হয়েছিল।” আর ঋতুপর্ণার প্রসঙ্গে শঙ্কর বলেন, ১৫ বছর আগের কথা এখন তিনি তুলছেন। দুর্নীতি হয়ে থাকলে এতদিন কি তিনি ঘুমোচ্ছিলেন? ঋতুপর্ণা বনগাঁ দক্ষিণের প্রার্থী হওয়ায় সাধারণ মানুষের যা সমর্থন পাচ্ছে দেখে ভয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশে এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন স্বপন।

