

উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা প্রতিষ্ঠা হয় ১৯ ৩৮ সালে। আর ২০২৬ -এ উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার পরিচালনায় শুরু হল মহিলা ফুটবল লিগ।

নারায়ণপুর ইউনাইটেড ক্লাবের মাঠে সন্তোষপুর মিতালী সংঘ ও শ্যামনগর আদিবাসী ইউনিট এর খেলার মধ্যে দিয়ে এই মহিলা ফুটবল লিগের সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মহিলা জাতীয় দলের অধিনায়িকা কুন্তলা ঘোষ দস্তিদার, প্রাক্তন জাতীয় দলের খেলোয়াড় মোহাম্মদ রফিক, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক নবাব ভট্টাচার্য, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যকরী সহ-সভাপতি দিবাকর চক্রবর্তী ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্যান্য আধিকারিক।

এ বছর যে আটটি টিম নিয়ে এই জেলা মহিলা ফুটবল লিগ শুরু হলো সেগুলি হল সন্তোষপুর মিতালী সংঘ, শ্যামনগর আদিবাসী ইউনিট, গাড়াপোতা গোবরা পুর দিশারী ফুটবল একাডেমি, সোদপুর মুক্তি সংঘ, সোদপুর ক্লাব, দত্তপুকুর জাগৃতি সংঘ, অশোকনগর ওমেন্স ও জি সি রোড এফসিসি। স

উদ্বোধনী এই খেলায় সন্তোষপুর মিতালী সংঘ শ্যামনগর আদিবাসী ইউনিটকে ২-০ গোলে পরাজিত করে। দুটি গোলই করেন সন্তোষপুর মিতালী সংঘের পক্ষে তনুশ্রী ওরাও। এই খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন সন্তোষপুর মিতালী সংঘের সুমিত্রা মুন্ডা।

একই সঙ্গে এ বছর কন্যাশ্রী কাপ চলছে। সেই জন্য সংস্থার সম্পাদক নবাব ভট্টাচাৰ্য বলেন, এ বছর প্রথমবারের জন্য মহিলা ফুটবল লিগ চালু হয়েছে কিন্তু আমাদের মাথায় রাখা উচিত ছিল কন্যাশ্রী কাপের ক্রীড়াসূচি। আগামী দিন আমরা এ বিষয়ে নজরে রাখবো যাতে এই দুটি মহিলা ফুটবল লিগ একই সঙ্গে না হয়।

প্রাক্তন জাতীয় দলের খেলোয়াড় কুন্তলা ঘোষ দস্তিদার বলেন যে তাদের সময় সর্বমোট হয়তো জেলায় ৫০ জন মহিলাও ফুটবল খেলতেন না হয়ত। কিন্তু আজ সারা জেলায় কয়েক হাজার মহিলারা ফুটবল খেলা শুরু করেছেন এবং নিয়মিত অনুশীলন করছেন বিভিন্ন ক্লাবে । তিনি আরও বলেন “জেলার এই উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়। জেলা যদি সমৃদ্ধ না হয় কলকাতাও সমৃদ্ধ হতে পারে না। জেলায় যেসব ফসল ফলে অর্থাৎ জেলা থেকে এই সমস্ত ফুটবলাররা উঠে না আসলে কলকাতা ফুটবলের সমৃদ্ধি হতে পারে না। তাই জেলার এই উদ্যোগকে কুর্নিশ জানাই।



