Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Bangladesh crisis: আইনি সহায়তা দিতে হবে বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হওয়া চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে, পেট্রাপোল সীমান্তে পদযাত্রা ভারতীয় আইনজীবীদের: দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:

দেশের সময় পেট্রাপোল :বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপরে মৌলবাদীদের বেলাগাম সন্ত্রাস চলছে। সেই সন্ত্রাস বন্ধের দাবিতে এবার বনগাঁ মহকুমা আদালতের আইনজীবীরা পথে নামলেন। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁরা বনগাঁর জয়ন্তীপুর বাজার থেকে সীমান্ত সড়ক ধরে পেট্রাপোল সীমান্তের জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত পদযাত্রা করেন। সেখানে তাঁদের পদযাত্রা সীমান্তরক্ষী বাহিনী জওয়ানরা আটকে দেন। দেখুন ভিডিও

গত ২৫ নভেম্বর ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তারপর থেকে সে দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর মৌলবাদীদের বেলাগাম সন্ত্রাস শুরু হয়েছে। বাড়িঘর ভেঙে জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকজন সংখ্যালঘু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। রাজপথে দাঁড়িয়ে ভারত বিরোধী প্ররোচনামূলক স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। অসম্মান করা হয়েছে ভারতের জাতীয় পতাকাকেও। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের হামলার প্রতিবাদে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণের মুক্তির দাবিও উঠেছে। 


মঙ্গলবার বনগাঁ মহকুমা আদালতের শতাধিক আইনজীবী বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিবাদে পথে নামলেন। জয়ন্তীপুর বাজার থেকে সীমান্ত সড়ক ধরে তাঁরা হাতে ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে পদযাত্রা করে পেট্রাপোলে যান। সেখানে সীমান্তরক্ষী বাহিনী জওয়ানরা তাঁদের আটকে দেন। তারপর তাঁরা পেট্রাপোল থানার ওসির কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। ওই স্মারকলিপিতে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ বন্ধের দাবিতে পুলিশকে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মধ্যস্থতা করার আবেদন জানানো হয়েছে। আইনজীবীরা কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার ও দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের কাছেও স্মারকলিপি পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন।

বনগাঁ মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী সমীর দাস বলেন, ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৮ হাজার ভারতীয় সেনা আত্মবলিদান দিয়েছেন। আর সে দেশেই আজ সংখ্যালঘুদের ওপর বেনজির সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে। অবিলম্বে এই সন্ত্রাস বন্ধ করা হোক। সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে না। কোনও আইনজীবীকে তাঁর হয়ে আদালতে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না। পাকিস্তানের জঙ্গি আজমল কাসভ মুম্বইয়ের তাজ হোটেলে বহু মানুষকে হত্যা করেছিল। সেই কাসভকেও ভারতীয় বিচার ব্যবস্থা আইনি সহায়তা দিয়েছিল। আমরা মনে করি, চিন্ময়কৃষ্ণ দাসেরও আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকার আছে। আমরা বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসকে রাজধর্ম পালনের বার্তা দিতে চাই।’

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন