প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

BowBazar : বৌবাজারে ফাটল বেশ কিছু বাড়ির মেঝে থেকে সিলিং সহ রাস্তা, এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ মাঝে শুধু আড়াই বছরের ফারাক। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের সংলগ্ন দুর্গাপিতুরি লেনে একাধিক বাড়িতে আবারও ফাটল ধরেছে । বুধবার সন্ধের পর থেকে অন্তত ১০টি বাড়িতে ফাটল দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দুশ্চিন্তার বিষয় হল, ২০১৯ সালের অগস্টে যে বাড়িগুলিতে ফাটল ধরেছিল, এ বারও সেই বাড়িগুলিতেই ফাটল ধরেছে বলে অভিযোগ। 

মেঝে থেকে সিলিং অবধি ফাটল ধরে গেছে। তা বেড়েও চলেছে ক্রমশ । এই বুঝি হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে আস্ত বাড়িটা! ভয়ে, আতঙ্কে বুধবার মাঝরাত থেকেই ঘরছাড়া বউবাজারের দুর্গাপিতুরি লেনের বাসিন্দারা।

শুধু বাড়ি নয়, রাস্তাতেও ফাটল দেখা গেছে। ব্যাগ গুছিয়ে একের পর এক বাড়ি ছাড়তে দেখা গেছে বাসিন্দাদের। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে। মেট্রোের কর্তারাও এলাকায় এসেছিলেন বলে জানা গেছে। তবে কী কারণে ফাটল ধরতে পারে সে ব্যাপারে তাঁদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মাঝ রাতে এলাকার বহু বাসিন্দাকেই দেখা যায় ব্যাগে দরকারি জিনিসপত্র নিয়ে পথে নামতে। অনেকেই হোটেলে আশ্রয় নেন। 

বৃহস্পতিবার সকালে দেখা যায়, দুর্গা পিতুরি লেন এলাকাটিকে পুলিশ ঘিরে রেখেছ। ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে গোটা এলাকা। পাশে যে খানে মেট্রো রেলের কাজ চলছিল, সেটিও বন্ধ রাখা হয়েছে। 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেট্রোর কাজ চলাকালীন এ দিন কমপক্ষে ১০টি বাড়িতে ফাটল দেখা দেয়। শুধু বাড়িই নয়, রাস্তাতেও ফাটল ধরেছে। ফলে আতঙ্কে বাড়ি ছাড়তে শুরু করেছেন স্থানীয়দের অনেকেই। 

২০১৯-এ মেট্রো কাজ চলাকালীন ক্ষতিগ্রস্ত হয় কমপক্ষে ৪০ বাড়ি। পরিস্থিতি এতটাই বিপজ্জনক ছিল যে, বেশ কয়েকটি বাড়ি ভেঙে ফেলতে হয়। ঘরবাড়ি ছেড়ে অস্থায়ী ঠিকানায় চলে হয়েছিল বাসিন্দাদের। আবারও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে।

কী কারণে বাড়িগুলিতে ফের ফাটল ধরল সে নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে মেট্রো রেলের আধিকারিকরা।  ২০১৯-এর ঘটনার পর মেট্রোর সুড়ঙ্গে ২৪ ঘণ্টা ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

যাতে সুড়ঙ্গের নীচে কোনও বিপর্যয় দেখা দিলে তা ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এখন সেই ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রোর সুড়ঙ্গে কোনও সমস্যা না হলে এমনটা হওয়া সম্ভব নয়। সুড়ঙ্গ থেকে বোরিং মেশিন বের করার জন্য ফাটল ধরল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন