বিশ্ব কুস্তিতে রুপো জিতে ইতিহাস গড়েছেন অংশু, ব্রোঞ্জ সারিতার, কুর্নিশ মুখ্যমন্ত্রীর
deshersamay

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা কুস্তিগীর হিসেবে বিশ্ব কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস গড়লেন অংশু মালিক। উল্লেখ্য এর আগে দুই ভারতীয় পুরুষ কুস্তিগীর ফাইনালে পৌঁছাতে সক্ষম হলেও এই প্রথম মহিলা কুস্তিগীর এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। উল্লেখ্য এর আগে ২০১০ সালে সুশীল কুমার এবং ২০১৮ সালে বজরং পুনিয়া বিশ্ব কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে ছিলেন।

এইপ্রথম ভারতীয় কোনও মহিলা কুস্তিগীর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে রুপো নিয়ে এলেন। পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাত ১১-৫৫ মিনিটে টুইটে এখবর জানিয়ে লিখেছেন, ‘‘অভিনন্দন জানাই অংশুকে, ঐতিহাসিকভাবে বিশ্ব কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জিতে ইতিহাস গড়েছেন। অসলোতে এই নিদারুণ সাফল্যে আমরা গর্বিত। অংশুর ভবিষ্যৎ আরও ভাল হোক, এই আশা রাখছি।’’


ইউরোপীয় কুস্তির চ্যাম্পিয়ন সোলোমিয়া ভিনিককে হারিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন অংশু। ম্যাচে আধিপত্য বজায় রেখে ১১-০ ফলে জিতে ফাইনালে প্রবেশ করেছেন তিনি। ৫৭ কেজি বিভাগে ১৯ বছর বয়সী এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন অংশুর সামনে দাঁড়াতেই পারেননি তাঁর প্রতিপক্ষ। ডান পায়ে চোট রয়েছে তাঁর, তাই ফাইনালে অংশু নিজের সেরাটা দিতে পারেননি। তাতেও তাঁর কৃতিত্ব কমছে না।

বৃহস্পতিবার নরওয়ের ওসলোতে অনুষ্ঠিত ৫৭ কেজির ফাইনালে অংশু হেরে গেলেন ২০১৬ সালের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হেলেন লুসি মারৌলির কাছে। অংশু সোনা খোয়ালেন ঠিকই, কিন্তু দেশকে রুপো এনে দিলেন হরিয়ানার বছর কুড়ির কন্যা। ফাইনাল অংশু আগ্রাসী মেজাজে শুরু করেন ঠিকই কিন্তু মার্কিনি ফ্রি-স্টাইল কুস্তিগীরের কাছে ৪-১ হারতে হয় তাঁকে।
বিশ্ব পর্যায়ে মাত্র চার মহিলা কুস্তিগীর পদক জিততে সমর্থ হয়েছেন। তবে তাঁরা সকলেই জিতেছেন ব্রোঞ্জ। ২০১২ সালে গীতা এবং ববিতা ফোগত, ২০১৮ সালে পূজা ধান্ডা এবং ২০১৯ সালে ভিনেশ সকলেই ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।

উল্লেখ্য ভারতীয় কুস্তির ইতিহাসে ভারত একমাত্র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে পেয়েছে পুরুষ বিভাগেই। ২০১০ সালে সুশীল কুমার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিততে সমর্থ হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সুশীলের নজির অংশু স্পর্শ করতে পারেন কিনা এখন সেটাই দেখার।

