Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

কাবুল থেকে দেশে ফিরলেন গাইঘাটার যুবক , ডেডলাইনের আগেই আফগানিস্তানে আটকে থাকা ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনা হবে : জয়শঙ্কর

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ সন্ত্রাস্ত কাবুল থেকে ভারতে ফিরেছেন আরও এক বঙ্গ সন্তান। উত্তর২৪পরগনার গাইঘাটার শঙ্কর সিংহ রায়৷ আফগানিস্তানের অস্থির পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে কাবুলে ছিলেন শঙ্কর সিংহ রায়। বুধবার বিকেলে ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স তাঁদের এয়ারলিফ্ট করে ভারতে আনা হয় তাঁকে৷

আফগানিস্তানে এখনও আটকে রয়েছেন অনেক ভারতীয়ই। তালিবানি সাম্রাজ্য থেকে প্রাণ নিয়ে দেশে ফিরতে তাঁরা মরিয়া। এদিকে আফগানিস্তানের থেকে নিজের দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে তালিবান। ৩১ অগস্টই সেই ডেডলাইন।

তাই এই সময়ের মধ্যেই আফগানিস্তানে আটকে পরা ভারতীয়দের উদ্ধারের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে বলে জানালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
কীভাবে দ্রুত উদ্ধারকাজ সেরে ফেলা যায় সে নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক চলছে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবারই দেশে ফেরানো হতে পারে আরও ১৮০ জনকে। কাবুল থেকে একটি সামরিক বিমানে চাপিয়ে ভারতীয়দের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হবে। তবে সেই সঙ্গে বেশ কিছু হিন্দু ও শিখ আফগানকেও উদ্ধার করে আনা হবে। এখনও অবধি আটশো জনেরও বেশিকে বায়ুসেনার বিমান উদ্ধার করে এনেছে বলে জানা গেছে।

তালিবান কাবুলের দখল নেওয়ার পর থেকেই আফগানদের দেশ ছাড়ার হিড়িক পড়ে গেছে। এখনও দেশ ছাড়তে পারেননি বহু আফগান বাসিন্দা। ভারত, ব্রিটেন, আমেরিকা নিজেদের দেশের নাগরিকদের উদ্ধার করে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, যতদিন না আফগানিস্তান থেকে উদ্ধারকাজ শেষ হবে, ততদিন মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকবে। পরে তালিবানের সঙ্গে চুক্তি মাফিক ৩১ অগস্ট অবধি সময় ধার্য হয়। তালিবান মুখপাত্র জানায়, ওই দিনের মধ্যেই সেনা প্রত্যাহার করতে হবে আমেরিকাকে।

তবে ৩১ অগস্টের পরেও আফগান ও অন্য দেশের নাগরিকরা যাতে দেশ ছাড়তে পারেন সে নিয়ে তালিবানের সঙ্গে কথাবার্তা চালাচ্ছে জি-৭ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলি। মঙ্গলবার জি-৭ বৈঠকের পরে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ৩১ অগস্টের পরেও কেউ আফগানিস্তান ছাড়তে চান তাঁদের সুরক্ষিত ভাবে দেশ ছাড়তে দিতে হবে। আফগানিস্তানের উপর তালিবানের অধিকার স্থাপনের পরে যাতে ফের সেখানে জঙ্গি কার্যকলাপ মাথাচাড়া না দেয় ও সেখানকার নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে সে দিকেও নজর দিচ্ছে জি-৭। সেখানকার শিশু ও মহিলাদের নিরাপত্তাও সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। তবে তালিবান এই প্রস্তাবে কতটা রাজি হবে সে নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.