Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও গরমে নাজেহাল গ্রাম ও শহরের বাসিন্দারা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ গত সপ্তাহের শেষ থেকেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সপ্তাহ জুড়েই মেঘলা আকাশ রয়েছে কলকাতায়। তবুও বৃষ্টির দেখা নেই। হাঁসফাঁস গরমে নাজেহাল হচ্ছে শহরবাসী। বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও গলদঘর্ম অবস্থা তৈরি হয়েছে। সকালে আকাশ মেঘলা থাকলেও বেলা বাড়তেই উঠছে চড়া রোদ। কার্যত চাতক পাখির মতো বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে সকলে।

সোমবারও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকে আকাশ মেঘলা এবং হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। কিন্তু, কয়েকদিন ধরে পূর্বাভাস থাকা সত্ত্বেও তেমনভাবে বৃষ্টি দেখা না মেলায় হাওয়া অফিসকেই দুষছেন শহরবাসী।

বৃষ্টির কথা জানান দিলেও রবিবার জ্বালাপোড়া গরমে নাজেহাল হয়েছেন কলকাতার মানুষ। এর থেকে স্বস্তি দিতে ঠিক কতক্ষণে বৃষ্টি আসবে, তার জন্যই সকলে অপেক্ষরত। এদিকে, রবিবারের তুলনায় খানিকটা হলেও তাপমাত্রা বেড়েছে এদিন। সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯১ শতাংশ। এই সপ্তাহের বাকি দিনগুলি সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘুরপাক খাবে ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকার কথা ২৭-২৮ ডিগ্রির কাছাকাছি।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গণেশকুমার দাসের কথায়, ‘ ঝাড়খণ্ডের উপর তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। এর প্রভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে।’ আলিপুর আবহাওয়া দফতরের এক কর্মীর কথায়, ‘এই সময়টা ঝোড়ো হাওয়ার দাপট থাকাটাই স্বাভাবিক। গরম খুব বেশি বেড়ে যাওয়ার কারণে সামুদ্রিক ঠাণ্ডা বায়ু বইতে শুরু করেছে রাজ্যজুড়ে।’

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহের প্রথমদিকেও বৃষ্টিপাত হয়েছে কলকাতায়। তবে এই বৃষ্টিপাতের জেরে তাপমাত্রার খুব বেশি তারতম্য ঘটবে না এও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল হাওয়া অফিস। এদিকে শিলিগুড়ি, ডুয়ার্স সহ উত্তরবঙ্গে বেশ কিছু অংশে শিলাবৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গে ছিল ঝোড়ো হাওয়াও।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.