প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
জন্মাষ্টমী তিথিতে বনগাঁর রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে দেবী দুর্গার কাঠাম পূজোর শুরু: দেখুন ভিডিও বনগাঁর স্বাদমোতী হোটেলে মিলল পচা মাংস ও মেয়াদ উত্তীর্ণ আলু , মিলেছে পোকা-মাকড়! বারবার অভিযানেও বদলাচ্ছে না অস্বাস্থ্যকর ছবি ৪ হাজার টাকার ইলিশ নিয়ে পগারপার মহিলা , মধ্যমগ্রাম মাছের বাজারের এমন কাণ্ডে হতবাক স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষে বাঙালির আবেগ উস্কে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পুজোর পরই পুরভোট! আপনার এলাকা কি তালিকায় আছে? আগামিকাল জেলাশাসকদের নিয়ে বৈঠকে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, প্রস্তুতি তুঙ্গে

প্রয়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত

deshersamay

Share article:

দেশের সময়ওয়েবডেস্কঃ চলে গেলেন কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। জার্মানিতে বসবাসকারী কবি দীর্ঘদিন ধরেই নানান অসুখে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার ভারতীয় সময় গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কবি।


শান্তিনিকেতন বিশ্বভারতীর ছাত্র ছিলেন অলোকরঞ্জন। পড়েছেন সেন্ট জেভিয়ার্সেও৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি এইচ ডি সম্পন্ন করে ১৯৫৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত প্রায় চোদ্দ বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন তিনি। এরপরে হাম্বোলড ফাউন্ডেশন ফেলোশিপ নিয়ে পাড়ি দেন বিদেশে।


তাঁর বিদগ্ধ কবিতাভাষা আদৃত হয়েছিল পাঠকদমাজে। পঞ্চাশের দশকের এই জনপ্রিয় কবি রেখে গেলেন বাংলা ভাষায় কুড়িটিরও বেশি কাব্যগ্রন্থ। রেখে গেলেন ফরাসি ও জার্মান ভাষায় একাধিক উল্লেখযোগ্য অনুবাদের কাজ। কবিতা লিখে পেয়েছেন বহু পুরস্কার। তার মধ্যে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুধা বসু সম্মান (১৯৮৩), আনন্দ পুরস্কার (১৯৮৫), প্রবাসী ভারতীয় সম্মান (১৯৮৫), রবীন্দ্র পুরস্কার (১৯৮৭)। কাব্যগ্রন্থ ‘মরমী করাত’এর জন্য ১৯৯২ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান অলোকরঞ্জন। ওই বইয়ের জন্য ২০০৫ সালে তিনি আবার প্রবাসী ভারতীয় সম্মাননাও লাভ করেন। তাঁর মৃত্যুতে বাংলার কবিতাজগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন